• ভারতের নিউজিল্যান্ড সফর
  • " />

     

    ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১৮ বছর আগের স্মৃতি ফিরিয়ে আনলো ভারত

    ৮ বছর পর টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত, এবার নিউজিল্যান্ডের কাছে। ২০১১-১২ মৌসুমে অস্ট্রলিয়ার কাছে শেষ হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল তারা। 

    দেশের মাটিতে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশের পর এবার নিউজিল্যান্ডে গিয়ে সিরিজের দুই ম্যাচেই বিবর্ণ ছিল বিরাট কোহলির দল। কিউই পেসারদের তোপের মুখে এই সিরিজে পায়ের তলে মাটি খুঁজে পায়নি ভারতের ব্যাটসম্যানরা। অধিনায়ক বিরাট কোহলি তো খারাপ ব্যাটিংয়ের মাশুল দিয়ে টেস্ট ব্যাটসম্যানদের র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানটিও হারিয়েছেন। সব মিলিয়ে কিউই মুলুকে ভুলে যাওয়ার মতো একটি সিরিজ খেলেছে ভারত।

    মূলত ব্যাটিংয়েই নিউজিল্যান্ডের কাছে আসল মারটা খেয়েছে ভারত। টেস্টের দারুণ ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে খেলতে গিয়েও কিউইদের গতি আর সুইংয়ের সাথে পেরে ওঠেনি তারা। টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট আর কাইল জেমিসনদের কোনও জবাব তৈরি ছিল না তাদের কাছে। সহজ আত্মসমর্পণে ২০০২-০৩ মৌসুমে ভারতের নিউজিল্যান্ড সফরের অনেক তিক্ত স্মৃতি ফিরে এসেছে আবার। কোহলির মতো সেবার সৌরভ গাঙ্গুলির দলও ব্যাটিং বিপর্যয়ে ধবলধোলাই হয়েছিল কিউদের মাটিতে। 

    এই সিরিজে ভারত উইকেট প্রতি গড়ে মাত্র ১৮.০৫ রান তুলেছে। সিরিজে উইকেট প্রতি এর চেয়ে কম রানের রেকর্ড আছে তাদের মাত্র দুইবার। অবশ্য দুবারই প্রতিপক্ষ ছিল নিউজিল্যান্ড। ১৯৬৯-৭০ মৌসুমে কিউইদের বিপক্ষে উইকেট প্রতি ১৬.৬১ রান করে তুলেছিল তারা। আর ২০০২-০৩ সিরিজেই, শচিন টেন্ডুলকার-গাঙ্গুলি-রাহুল দ্রাবিড়দের ব্যাটিং লাইনআপ উইকেট প্রতি তুলতে পেরেছিল মাত্র ১৩.৩৭ রান।

    সিরিজে দুই টেস্টের মোট চার ইনিংসে ভারতের সর্বোচ্চ সংগ্রহ এবার ২৪২। দুই বা ততোধিক টেস্টের সিরিজে এটি ভারতের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন সর্বোচ্চ স্কোর, এর আগে ২০০২-০৩ এর সেই সিরিজে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ১৬১।

    দলীয় ব্যাটিংয়ের এই দৈন্য দশাতে বিশ্বের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটসম্যান কোহলিও ছিলেন ফর্মের তলানিতে। ৪ ইনিংসে তার রান যথাক্রমে ২, ১৯, ৩ এবং ১৪- মোট ৪৮। নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারে কোনও সিরিজে এর চেয়ে কম রান করেছেন মাত্র একবার- ২০১৬-১৭ তে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে ৫ ইনিংসে মাত্র ৪৬ রান করেছিলেন তিনি।

       
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন