• অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ২০১৬
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    অদ্ভুত আউটে স্বপ্নভঙ্গ জিম্বাবুয়ের !

    ম্যাচের শেষ মুহূর্ত। ছয় বলে জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন তখন তিন রান। হাতে আছে এক উইকেট। বল করছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কিমু পল। খেয়াল করলেন, ননস্ট্রাইক এন্ডে থাকা জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান মাতিগিমু লাইন ছেড়ে একটু বেরিয়ে এসেছেন। সঙ্গে সঙ্গে স্টাম্প ভেঙ্গে দেন কিমু, রিপ্লে দেখে অবশ্য বোঝা মুশকিল ব্যাটটা লাইনের বাইরে ছিল না ভেতরে ছিল। কিন্ত আম্পায়ার শেষ পর্যন্ত আউট দিয়ে দেন। তীরে এসেও দুর্ভাগ্যজনক এক আউটে তরী ডোবে জিম্বাবুয়ের। মাত্র ২ রানে জিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচটি জিতলে ক্যারিবিয়ানদের বদলে শেষ আটে যেতো জিম্বাবুয়েই। 

     

    এ ধরনের রানআউট অবশ্য ক্রিকেটে নতুন নয়। ভিনু মানকড়ের নামানুসারে হওয়া "মানকড়" আউট নামে পরিচিতি পেয়ে যাওয়া এই আউট আগেও অনেকে হয়েছেন অনেক বার। শেষবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এরকম ঘটনা ঘটেছিলো ১৯৯২ সালে, ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার এক ওয়ানডে ম্যাচে; কপিল দেব এভাবে রান আউট করেছিলেন পিটার কারস্টেনকে।

     

    তারপরও পুরনো প্রশ্নটা উঠে যাচ্ছে, এই আউট কতটা খেলোয়াড়ি চেতনার সঙ্গে যায়? ওয়েস্ট ইন্ডিজ ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ যেমন আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করেও মনে করিয়ে দিচ্ছেন, "আইন যা বলে, সেটাই মানতে হবে। এখানে কারও হাত নেই। মানকড আউটের ইতিহাস এমন, এটা বিতর্ক তৈরি করবেই। ভবিষ্যতে ক্রিকেটে এটা নিয়ে যাতে কথা না হয় সেটা নিশ্চিত করা উচিত।" ইংলিশ ধারাভাষ্যকার ডমিনিক কর্ক অবশ্য মনে করিয়ে দিচ্ছেন, "আমি কখনোই এভাবে আমার দলকে জিততে দেখতে চাই না। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট এরকম হওয়া উচিত নয়। জিম্বাবুয়ের জন্য খারাপই লাগছে।"

     

    কিমু পল সম্ভবত জানেন না, তাঁরই এক পূর্বসূরি একবার এরকম সুযোগ পেয়েও সেটি করেননি। ১৯৮৭ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সঙ্গে খেলায় তখন ছিল ম্যাচের শেষ বল; দুই রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। বোলিং করছিলেন কোর্টনি ওয়ালশ। শেষ বলের আগে ক্রিজ ছেড়ে অনেকটাই বেরিয়ে এসেছিলেন সেলিম জাফর। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওয়ালশ তাঁকে নিজেই সতর্ক করে দেন। পরে ম্যাচটা জিতে যায় পাকিস্তান। পল সেটি জানলে হয়ত আজকের কাজটা করতেন না!

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন