• অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ২০১৬
  • " />

     

    ৫ ওভারেই জিতে গেল বাংলাদেশের যুবারা

    প্রতিপক্ষ দুর্বল সিঙ্গাপুর, জয়টা তাই অনুমিতই ছিল বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের অন্যতম বড় নাম বাংলাদেশের কাছে। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই। তবে সেটা এতটাই সহজে এসেছে যে এত কম সময়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দল কবে জিতেছে তার জন্য রেকর্ডবুকটা খুলতে হবে একবার। ৪৫ ওভার বাকি থাকতেই অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশি যুবারা। 

    সকালে টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাইফ হাসান। তাকে হতাশ করেননি বোলাররা। দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেটের পতন হয়, পরের ওভারে আরেকটি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন রোহান ও যুবরাজ। ৩৩ রানের ঐ জুটিই সিঙ্গাপুর ইনিংসের সর্বোচ্চ। এরপর তাসের ঘরের মতই ভেঙ্গে পড়েছে সিঙ্গাপুর। ২৫.৫ ওভারে ৭০ রানেই গুটিয়ে যায় আসিয়ান অঞ্চলের দলটি। ওপেনার রোহানের ৩৮ বলে ২৩ রান ছিল বলার মত স্কোর, বাকিরা ছিলেন আসা যাওয়ার মিছিলে। দ্বিতীয় সেরা স্কোর তাই অতিরিক্ত রান থেকেই এসেছে। নাঈম ও হালিম দুজনেই নেন ৩টি করে উইকেট। 

    তাড়া করতে নেমে একেবারেই সময় নেননি বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ ও আফিফ। সাইফ রীতিমত তাণ্ডব চালিয়েছেন সিঙ্গাপুর বোলারদের ওপরে। ১১ বলের ছোট্ট ইনিংসে ৪ ছক্কা ২ চারে করেন ৩৩ রান। সাইফ ফিরে গেলেও থামেনি রানের চাকা। সজীব, রাকিবের মারমুখো ব্যাটিংয়ে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ দল।

    এই ম্যাচ জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল সাইফরা। প্রথম ম্যাচেও আফগানিস্তানকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ১৮ তারিখ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ দল।  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন