• নিউজিল্যান্ডের অস্ট্রেলিয়া সফর
  • " />

     

    অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের 'বিয়ের মৌসুম এখন', তবে থমকে গেছে সেটাও

    ঘরোয়া গ্রীষ্ম মৌসুম শেষ, শীত জেঁকে বসতে এখনও দেরি অস্ট্রেলিয়ায়। এ সময়টা সেখানকার ক্রিকেটারদের কাছে একটা বিরতি আনে, সে সুযোগটা তারা কাজে লাগান- নিজেদের বিয়ের জন্য! বছরজুড়ে ঠাসা সূচিতে এমন ‘গ্যাপ’ তো মেলে না এছাড়া। এ বছরও গাঁটছাঁড়া বাঁধার পরিকল্পনা ছিল বেশ কয়েকজন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের। তবে করোনাভাইরাস যখন থমকে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে, বিয়ের ব্যাপার তাই চলে গেছে ব্যাকফুটে। 

    ক্রিকইনফোর এক আর্টিকেল অনুযায়ী, জাতীয় ও রাজ্যভিত্তিক দলগুলির চুক্তিবদ্ধ অন্তত আটজন ক্রিকেটারকে আপাতত নিজেদের বিয়ের পরিকল্পনা স্থগিত করতে হয়েছে পরবর্তী গ্রীষ্মের শেষ পর্যন্ত। কভিড-১৯ মহামারির কারণে গণজমায়েত নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়ায় আপাতত, তবে বিয়ের অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৫ জনের উপস্থিতির সীমাবদ্ধতা- যে দুজন বিয়ে করছেন, যিনি বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন এবং দুই পক্ষের সাক্ষীরা। তবে ক্রিকেটারদের সামাজিক জীবনের একটা বড় অংশ বিয়ে- এ ৫ জনকে দিয়ে তো পোষানোর কথা নয় তাদের! 

    পুরুষ দলের অ্যাডাম জ্যাম্পা, মেয়ে দলের জেস জোনাসেনসহ জ্যাকসন বার্ড, মিচেল সুয়েপসন, অ্যান্ড্রিউ টায়, ডারসি শর্ট, কাটালিন ফ্রাইট এবং অ্যালিস্টার ম্যাকডারমটরা তাই আপাতত বিয়ের অনুষ্ঠান স্থগিত করেছেন। এপ্রিল কিংবা এর কাছাকাছি সময়ে বিয়ের পরিকল্পনা ছিল তাদের। 

    অবশ্য বিয়ে না হলেও সম্প্রতি বাগদান সেরেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও প্যাট কামিন্স। কামিন্সের বাগদত্তা আবার ইংলিশ। কামিন্স বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে তাই বেশি সময় পাচ্ছেন, এখন তো অখন্ড অবসর তাদের। অবশ্য টেস্টের এক নম্বর বোলার শুধু নিজের বিয়ের কথাই ভাবছেন না, বর্তমান পরিস্থিতি ছুঁয়ে যাচ্ছে তাকেও। 

    “আমরা ভাগ্যবান, মাত্রই বাগদান হয়েছে। তবে অ্যাডাম জ্যাম্পাদের মতো বন্ধুদের জন্য সমবেদনা আছে আমার, তাদের বিয়ে বিলম্বিত করতে হয়েছে। কঠিন সময় যাচ্ছে। তবে এসবের চেয়েও বড় ব্যাপার আছে।” 

    “এসব খুবই বীভৎস ব্যাপার- ইতালি, স্পেন, এখন আমেরিকা এবং ইউকে- কীভাবে ব্যাপারগুলি ঘটে গেল! অবশ্যই ইংল্যান্ডে আমার পরিবারের অংশ আছে, তাদের সঙ্গে নিয়মিত কথা হয়- যাতে তারা ঘরের ভেতরই থাকে। তবে যা মনে হয়, তাদের ওখানে আমাদের চেয়ে ব্যাপার আরও গুরুতর।” 

    “এখন অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। ইংল্যান্ডের জন্য আমার শুভকামনা, বিশেষ করে একজন ক্রিকেটার হিসেবে। সেখানে আমার কিছু বন্ধু আছে কাউন্টি ক্রিকেটে। প্রাক মৌসুমের পর তারা গ্রীষ্মের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল, এখন তাদের পুরো মৌসুমই শেষ হয়ে যাওয়ার অবস্থা। অবশ্যই জীবনের ব্যাপারটা আগে, তবে তাদের ক্যারিয়ারও থমকে গেছে।” 

    জীবনই যেখানে থমকে গেছে, বিয়ে সেখানে থমকে যেতেই পারে তাই। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন