• ইংল্যান্ডের শ্রীলঙ্কা সফর ২০২০
  • " />

     

    ছয় ছয়ের পর ব্রডকে সই করা জার্সি পাঠিয়েছিলেন যুবরাজ

    “আমার মনে পড়ে তাকে আমার ভারতের জার্সি দেওয়ার কথা, যেখানে লিখেছিলাম, ‘আমি ওভারে পাঁচ ছয় খেয়েছি, আমি জানি কেমন লাগে। ইংল্যান্ড ক্রিকেটের ভবিষ্যতকে, শুভকামনা’।”

    ডারবানে ২০০৭ আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টিতে স্টুয়ার্ট ব্রডকে ছয় ছয়ের পর তাকে নিজের সই করা জার্সি পাঠিয়েছিলেন যুবরাজ সিং। অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের স্লেজিং তাকে তাতিয়ে দিয়েছিল জানিয়ে বিবিসির পডকাস্ট দুসরাতে তিনি বলেছেন, ভারতের কোনও বোলার এমন ছয়টি ছয়ের পর ব্রডের মতো ক্যারিয়ার গড়তে পারতেন না। 

    সেই ম্যাচে ব্রডকে ১৯তম ওভারে ছয়টি ছয় মেরেছিলেন যুবরাজ। ক্যারিয়ারের সে পর্যায়ে ব্রডের অভিজ্ঞতা ছিল ১৬ ওয়ানডে ও ৭টি টি-টোয়েন্টির, টেস্ট অভিষেকই হয়নি তখনও তার। 

    “তার বাবা, ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড পরদিন আমার কাছে এসে বলেছিল, ‘তুমি আমার ছেলের ক্যারিয়ার প্রায় শেষ করে দিয়েছো। এখন তাকে একটা জার্সি সই করে দিতে হবে”, স্মৃতিচারণ করেছেন যুবরাজ। 

    এই ম্যাচের কয়েকদিন আগে ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার দিমিত্রি মাসকেরেনাসের কাছে এক ওভারে পাঁচটি ছয় খেয়েছিলেন যুবরাজ। সে ম্যাচে সেসব নিয়ে স্লেজিংয়ের শিকার হয়েছিলেন তিনি, “ফ্রেডি তার মতোই আচরণ করছিল- সে কিছু বলেছিল, আমি কিছু ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। 

    “আমার ভাল লাগছিল যে এই ছয় ছয়ের ব্যাপারটি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হয়েছে, কারণ কয়েক সপ্তাহ আগেই দিমিত্রি মাসকেরেনাস এক ওয়ানডেতে আমাকে পাঁচটি ছয় মেরেছিল। ষষ্ঠ ছয়টি মারার পর অবশ্যই আমি ফ্রেডির দিকে তাকিয়েছিলাম সবার আগে, এরপর তাকিয়েছিলাম মাসকেরেনাসের দিকে। সে একটা হাসি দিয়েছিল।”

    এই ঘটনার পর ব্রড যুবরাজের ভাল বন্ধু হয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে বেশ মজাও করতেন তিনি, “খুব বেশি দেখা-সাক্ষাত হয়নি অবশ্য তার সঙ্গে। তবে ২০১৩ সালে ভারতে এসেছিল ইংল্যান্ড, আমার মনে আছে, ব্রড ও পিটারসেনকে সঙ্গে নিয়ে আমি ডিনারে গিয়েছিলাম। ব্রডের সঙ্গে আমার ভাল আলাপ হয়েছিল, ক্যান্সার থেকে আমার ফিরে আসার মতো বিষয়ে।” 

    “স্টুয়ার্ট ব্রডের এখন ৪৩০ (৪৮৫) টেস্ট উইকেট আছে, সে বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার। তার এই ভ্রমণ অসাধারণ অবশ্যই। এটা দেখাটা দারুণ। কারণ আমার মনে হয় না ভারতের কোনও বোলার এমন ছয়টি ছয়ের শিকার হওয়ার পর এরকম দারুণ একটা ক্যারিয়ার পেতে পারতো।” 

    ভারতের হয়ে ২০০০ সাল থেকে ২০১৭ সালের মাঝে ৪০২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন যুবরাজ, ২০১১ বিশ্বকাপে হয়েছিলেন প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্টও। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন