• ইংল্যান্ডের শ্রীলঙ্কা সফর ২০২০
  • " />

     

    যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলতে আগ্রহী লিয়াম প্লাঙ্কেট

    ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলতে আপত্তি নেই ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী পেসার লিয়াম প্লাঙ্কেটের। তার স্ত্রী সে দেশের নাগরিক, ভবিষ্যতে প্লাঙ্কেটও বসত গড়তে পারেন সেখানেই। শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তাই আরেক দেশের হয়ে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে তার, এবং সে সুযোগ নিতেও পারেন তিনি। 

    শেষ বিশ্বকাপের পর আর ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেননি সারের পেসার। কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন, কভিড-১৯ মহামারির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার আগে যে ৫৫ জনকে অনুশীলনে ডেকেছে ইসিবি, প্লাঙ্কেট নেই সেখানেও। ইংল্যান্ডের হয়ে নিজের খেলার “সম্ভাবনা ফুরিয়ে এসেছে”, প্লাঙ্কেট মনে করেন এমনই। 

    তবে ইংল্যান্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বাজিয়ে দেখতে আগ্রহী প্লাঙ্কেট, “সেখানে ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারলে ভালই হবে। আমার সন্তানরাও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, ফলে আমি ইংল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলেছি- তাদের কাছে এমন গল্প করাটা বেশ দারুণ একটা ব্যাপারই হবে।” 

    বিবিসির রেডিও ফাইভের “টাফারস অ্যান্ড ভন” নামের এক পডকাস্টে প্লাঙ্কেট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলার সুযোগ এলে হাতছাড়া করা উচিৎ হবে না তার, “আমি অবশ্যই ইংলিশ, সবসময়ই তাই থাকব। তবে যদি ফিট থাকি, আর সুযোগ আসে শীর্ষ পর্যায়ে খেলার, তাহলে সে সুযোগ নিব না কেন?”  

    খেলার জন্য তিন বছর যুক্তরাষ্ট্রে আগে বাস করতে হবে প্লাঙ্কেটকে। ৩৫ বছর বয়সী এই পেসার সে সময় পর্যন্ত ফিট থাকবেন কিনা, সেসব প্রশ্ন অবশ্য থেকেই যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্লাঙ্কেটের মতো কারও খেলার সুযোগ আসার সম্ভাবনাই প্রবল। 

    ২০১৯ সালে আইসিসির ওয়ানডে স্ট্যাটাস পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই মাঝে সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যান জেভিয়ের মার্শাল, হ্যামশায়ার অলরাউন্ডার ইয়ান হল্যান্ড, ও সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকা পেসার রাস্টি থেরনকে ডাকার সম্ভাবনা আছে তাদের। 

    “যদি সেখানে গিয়ে নাগরিকত্ব পাই, বা গ্রিনকার্ড পাই, তাহলে তাদের উন্নতিতে সহায়তা করতে পারব। বিশেষ করে আমার মতো কেউ, যে সম্প্রতি ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা শেষ করেছে। (তাদের ক্রিকেটের সঙ্গে) সম্পৃক্ত হতে পারলে দারুণ ব্যাপারই হবে”, বলেছেন প্লাঙ্কেট। 

    ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেক হওয়া প্লাঙ্কেট এখন পর্যন্ত খেলেছেন ১৩ টেস্টের সঙ্গে ৮৯টি ওয়ানডে ও ২২টি টি-টোয়েন্টি। শেষ বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি, জফরা আর্চারের (২৩.০৫) পর ইংল্যান্ডের সবচেয়ে ভাল বোলিং গড় ছিল তারই- ২৪.৭২। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন