• ক্রিকেটে করোনাভাইরাস
  • " />

     

    বেশিদিন খেলা না হলে স্কটল্যান্ডে বিস্মৃত হতে শুরু করবে ক্রিকেট, শঙ্কা কোয়েটজারের

    কভিড-১৯ মহামারিতে যখন বড় ক্রিকেট বোর্ডগুলি ভাবছে তাদের আর্থিক ক্ষতির কথা, স্কটল্যান্ডের মতো দেশ এর সঙ্গে দেখতে পাচ্ছে আরেকটি দিক। থমকে যাওয়া সময়ে খুব বেশিদিন ক্রিকেট না হলে মানুষ সেখানে এই খেলার কথা ভুলতে শুরু করবে, এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্কটল্যান্ড অধিনায়ক কাইল কোয়েটজার। 

    গত বছরের ডিসেম্বরে শেষ প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেছিল স্কটল্যান্ড। বিশ্বকাপের লিগ টু-এর পরবর্তী সূচি ছিল এ বছরের এপ্রিলে, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হওয়ার কথা ছিল যেটি। তবে কভিড-১৯ এর কারণে স্থগিত হয়ে গেছে সেটিও। জুনে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সীমিত ওভারের ম্যাচ খেলার কথা ছিল তাদের, তবে বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে সেগুলোও। 

    ফলে আগস্টের আগে স্কটল্যান্ডে নাও ফিরতে পারে ক্রিকেট। কোয়েটজারের শঙ্কা এটি নিয়েই। “কোনও খেলা যদি শিরোনামে না থাকে, তাহলে ধীরে ধীরে নিশ্চিতভাবেই সেটি কোনো না কোনোভাবে মানুষ ভুলে যায়। যারা তৃণমূলে খেলছেন, তারা ভাবতেই পারেন, ‘এ বছর আমরা আর খেলছি না’। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটাও হতে পারে, ‘আমার আর (এই খেলায়) ফিরে কী হবে! এখন আপনি শুধু আশা করতে পারেন, এমন হবে না”, বিবিসিকে বলেছেন কোয়েটজার। 

    অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচগুলি সুযোগ হিসেবেই দেখছিলেন তিনি, “এমন সুযোগ প্রতি বছর আসে না। এসব ম্যাচ স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটীয় মানুষদের দারুণ আশা দেয়।” 

    অবশ্য শঙ্কার বিপরীতে আশাও আছে তার, “আমার মনে হয় না স্কটল্যান্ড খুব পিছিয়ে পড়বে। সবাই মোটামুটি এমন একটা জায়গায় আছে, যেখানে থেকে একটু দেয়া-নেয়া করা যায়। অন্য যে কোনও দলের মতোই আমরা সামনে এগুতে আগ্রহী।” 

    স্কটল্যান্ডে ক্রিকেট ফিরতে আপাতত বেশ দেরি, তবে কোয়েটজারের দৃষ্টি বেশ দূরেই, “পূর্ণ-সদস্য আমাদের দৃষ্টিসীমায় আছে। আমার কর্মসূচির অনেক বড় অংশ সেটি। এবং আমি আরও বিশ্বকাপ খেলতে চাই।” 

    অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম পর্বে খেলার যোগ্যতা অবশ্য স্কটল্যান্ড অর্জন করেছে আগেই। তবে আইসিসির মেজর এই টুর্নামেন্টের ব্যাপারে এখনও পরিস্কার করে বলা হয়নি কিছু। অবশ্য দর্শকশূন্য অবস্থায় এ টুর্নামেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে।