• বুন্দেসলিগা
  • " />

     

    সানচোকে হলুদ কার্ড : আয়োজকদের বিবেচনাবোধ কাজে লাগাতে বলল ফিফা

    ফুটবল আয়োজক সংস্থাগুলোকে "বিবেচনাবোধ" কাজে লাগাতে বলছে ফিফা। কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড হত্যার  বিচার দাবি করে কার্ড দেখেছিলেন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের জেডন সানচো। এ ধরনের ঘটনায় খেলোয়াড়দের কার্ড না দেখানোর ব্যাপারে বিবেচনা করতে বলেছে ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। 

    "জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুতে ফিফা ফুটবলারদের আবেগ ও উদ্বেগের জায়গাটা স্পষ্ট অনুধাবন করতে পারছে। টুর্নামেন্টের নিয়ম কানুন আয়োজকরাই ধার্য করবেন, কিন্তু উদ্ভুত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় "বিবেচনাবোধ" কাজে লাগানো উচিত।"


    ফিফা এমনিতে তার কঠোর আইন-কানুনের জন্য পরিচিত। নিয়মের ব্যতয় ঘটিয়ে এ ধরনের বিবৃতি তাই বিরল ঘটনাই। ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের মিনোপোলিসে পুলিশ অফিসার ডেরেক চুভিনের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর নিহত হন ৪৬ বছর বয়সী ফ্লয়েড। নিরস্ত্র ফ্লয়েডকে রাস্তায় ফেলে তার ওপর হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন ওই পুলিশ অফিসার।

    শেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ ফ্লয়েড নিহত হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় চলছে প্রতিবাদ। তার সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছেন অনেক ফুটবলারও। বুন্দেসলিগায় গোল উদযাপন করতে গিয়ে জার্সি খুলে নিচের টিশার্টে "জাস্টিস ফর ফ্লয়েড" লেখা দেখিয়ে বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলেন সানচো। এরপরই হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। তবে আশরাফ হাকিমি একই কাজ করলেও কোনো কার্ড দেখতে হয়নি তাকে। সানচো জার্সি খুলে ফেলেছিলেন, আর হাকিমি জার্সি উঁচিয়ে টিশার্টের দিকে ইঙ্গিত করেছিলেন।

    মূলত ইংল্যান্ডের প্রস্তাবেই ২০১৪ সালে ফুটবল মাঠে খেলোয়াড়দের রাজনৈতিক বার্তা বা দাবি জানানোর এই পদ্ধতির জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়। ফুটবলের আইন প্রণেতা সংস্থা আইএফএবি-র (ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড) ৮টি ভোটের ভেতর ৪টি ফিফার জন্য বরাদ্দ। বাকি ৪টি ভোট দিতে পারে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড।