• ক্রিকেটে করোনাভাইরাস
  • " />

     

    রবিবার ৪টি ভেন্যুতে অনুশীলনে ফিরছেন ক্রিকেটাররা

    ১৯ জুলাই, রবিবার দেশের ৪টি ভেন্যুতে আলাদা আলাদা করে ‘ব্যক্তিগত’ অনুশীলনে ফিরছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। ১৬ মার্চ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ডশেষে এই টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর এই প্রথম বিসিবির অধীনের মাঠে ফিরছেন তারা। 

    প্রথম দফায় অনুশীলনে ফিরবেন ৯ জন ক্রিকেটার। এদের মাঝে মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, ইমরুল কায়েস ও শফিউল ইসলাম ঢাকার শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম, খালেদ আহমেদ ও নাসুম আহমেদ সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, মাহাদি হাসান ও নুরুল হাসান সোহান খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম এবং নাঈম হাসান চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে অনুশীলনে ফিরবেন। 

    প্রত্যেকেই অনুশীলন করবেন আলাদা আলাদা সময়ে। শুক্রবার বাদ দিয়ে ১৯ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত এই ৯ জনের মাঝে প্রতি ক্রিকেটার সর্বোচ্চ ৬ দিন দুটি করে সেশন করতে পারবেন ব্যাটিং, রানিং ও জিমের। তবে ঢাকার বাইরে তিনটি ভেন্যুতে ক্রিকেটাররা শুধু রানিং ও জিমের সুবিধা পাবেন প্রথম দফায়। 

    প্রথম দিন সকাল ৯টা থেকে ৯.৫০ পর্যন্ত মিরপুরের ইনডোরে ব্যাটিং করবেন মিঠুন, একই সময়ে একাডেমি মাঠে রানিং করবেন শফিউল ইসলাম। এরপর রানিং করবেন মিঠুন। এরপরের স্লটে ব্যাটিং ও রানিংয়ের সুযোগ পাবেন মুশফিক। 
     


    রবিবার ক্রিকেটারদের অনুশীলন শুরুর আগে প্রস্তুত হচ্ছে মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম। প্যাভিলিয়ন


    করোনাভাইরাস কভিড-১৯ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই কার্যত ঘরবন্দী ছিলেন ক্রিকেটাররা। এর মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন তারা, এরপর ছেলে ও মেয়েদের জিমের ইকুইপমেন্ট দিয়ে সহায়তা করেছে বিসিবি। সঙ্গে চলেছে ভার্চুয়াল মিটিং। এর আগে ক্রিকেটারদের কভিড-১৯ এর পরিস্থিতি বুঝতে অ্যাপ বানিয়েছিল বিসিবি, কোচিং স্টাফদের সঙ্গে চলেছে ভার্চুয়াল মিটিং-ও। 

    মুশফিকসহ আরও কয়েকজন এর আগেই মিরপুরে আলাদা করে অনুশীলনের অনুমতি চেয়েছিলেন, তবে তখন সেটি দেয়নি বিসিবি। মুশফিক নিজ উদ্যোগে এরপর ঢাকার একটি মাঠে অনুশীলন করেছিলেন। এবার ক্রিকেটে ফেরার লক্ষ্যে আলাদা করে তাদের অনুশীলনে ফেরাচ্ছে বিসিবি। 

    কভিড-১৯ মহামারিতে এরই মাঝে স্থগিত হয়ে গেছে ছেলে ও মেয়েদের জাতীয় দলের বেশ কিছু সফর ও সিরিজ। আপাতত লক্ষ্যসীমায় আছে ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, তবে সোমবার সে টুর্নামেন্টও আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিলের সিদ্ধান্ত আসতে পারে। 

    বিকেএসপি বা কক্সবাজারকে মাথায় রেখে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ফেরানোর ভাবনা চলছে, এর আগে এমনও জানিয়েছিল সিসিডিএম। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন