• ক্রিকেটে ফেরা
  • " />

     

    'ভারতের সব থাকলেও ওয়্যাগনার নেই'

    তর্কসাপেক্ষে সময়ের অন্যতম সেরা পেস আক্রমণ এখন ভারতের। জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ শামি, ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব-- আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা ২১-এ আছেন ৪ জনই। তবে তারা আর যাই করুন, অস্ট্রেলিয়া গিয়ে নিউজিল্যান্ড পেসার নেইল ওয়্যাগনারের মতো 'শর্ট শর্ট শর্ট' ধরনের কিছু করতে পারবেন না, এমন মনে করেন ম্যাথু ওয়েড। 

    ক্রমাগত শর্ট বল করে যাওয়ার দারুণ দক্ষতা ওয়্যাগনারকে নিয়ে গেছে আলাদা একটা উচ্চতায়, টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ২ নম্বর অবস্থানটাও প্রমাণ করে সেটিই। ২০১৮ সালের পর থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ১০৬৮টি শর্ট বল করেছেন ওয়্যাগনার, আইসিসির এক ডাটা অনুযায়ী। দুইয়ে থাকে প্যাট কামিন্স এ সময় শর্ট বল করেছেন ৮১১টি। 

    নিউজিল্যান্ডের শেষ অস্ট্রেলিয়া সফরে একসময় লড়াইটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এমন-- ওয়্যাগনার বনাম অস্ট্রেলিয়া! ৩-০তে সিরিজ হারলেও নিউজিল্যান্ড পেসার ১৭ উইকেট নিয়েছিলেন ২২.৭৬ গড়ে। বাকি সব নিউজিল্যান্ড বোলার মিলে ২৮ উইকেট নিয়েছিলেন ৫৩.৩৯ গড়ে। 

    অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ৩ ব্যাটসম্যান-- স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও মারনাস ল্যাবুশেনকে সিরিজে মোট ১০ বার আউট করেছিলেন ওয়্যাগনার। তবে তার শর্ট বলের মন্ত্র কাজে লাগানো সহজ হবে না, ওয়েডের ধারণা এমন। “হয়তো দলগুলি চেষ্টা করবে, তবে আমার মনে হয় না সেভাবে সফল হবে। আমার মনে হয় না তার মতো করে এভাবে বাউন্সার কেউ করতে পারে, সে এতোই ধারাবাহিক, রান তো দেয়ই না, বরং উইকেট নেয়,” ক্রিকেটডটকমডটএইউ-কে বলেছেন ওয়েড। 
     


    “আমার ধারণা ভারতও এমন কিছু করবে, তবে তারা ওয়্যাগনারের মতো এতোটা কার্যকরী হবে না। সে বেশ লম্বা সময় ধরে এটা করে আসছে, সত্যি বলতে কি, তার মতো এমন মাপা বাউন্সার আর কোনও বোলারকে করতে দেখিনি আমি।” 

    সামনের অস্ট্রেলিয়ান গ্রীষ্মে বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির জন্য খেলতে যাবে ভারত। শেষ সিরিজে স্বাগতিকদের হারিয়েছিল বিরাট কোহলির দল, যদিও সে দলে নিষেধাজ্ঞার কারণে ছিলেন না স্মিথ-ওয়ার্নার, ল্যাবুশেনও খেলেছিলেন এক টেস্ট। 

    উইকেটকিপার থেকে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হয়ে ওঠা ওয়েডের সঙ্গে শর্ট বলে ওয়্যাগনারের লড়াইটা বেশ জমেছিল নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে। শেষ অ্যাশেজে ইঙ্গিশ পেসার জফরা আর্চারেরও তোপ সামলাতে হয়েছিল ওয়েডকে। তবে ওয়্যাগনারকে খেলা কেন কঠিন, সেটিও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি, “তার বাউন্সারের দিকে তাকালে বুঝবেন, সে সবসময় কাঁধ থেকে হেলমেটের মাঝের জায়গায় আঘাত করে। অথবা বগল-বরাবর বাউন্সার করে। 

    “ভাল একটা লড়াই হয়েছিল। আর্চারের সঙ্গেও প্রতিদ্বন্দ্বীতা হয়েছিল, তবে সে ওয়্যাগনারের মতো এতোটা নিখুঁত নয়। আর ওয়্যাগনারের বাঁহাতের অ্যাঙ্গেলটাও অদ্ভুত। তাকে কুর্ণিশ, সে অবিশ্বাস্য বোলিং করেছে।” 

    অবশ্য ওয়্যাগনারের মতো বোলার না থাকলেও র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ নম্বরে থাকা ভারতের সঙ্গে সিরিজটা বড় একটা চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন ওয়েড। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন