• ক্রিকেটে ফেরা
  • " />

     

    পিছিয়ে যাচ্ছে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শেষের সময়

    ২০২১ সালের জুনের মাঝে এই সাইকেলের আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ না হওয়ার সম্ভাবনা আছে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছে বিসিবি। ২০১৯-২১ সাইকেলের ফাইনাল সামনের বছরের জুনের দিকে হওয়ার কথা ছিল। যথাসময়ে সে ফাইনাল হচ্ছে না, এমন জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরি। কোভিড-১৯ মহামারিতে বেশ কিছু সিরিজ স্থগিত হয়েছে, যেগুলো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ফলে যথাসময়ে এটির শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় ছিল আগে থেকেই।  

    এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ এ মহামারির সময়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তিনটি সিরিজ স্থগিত হয়েছে বাংলাদেশের। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের একটি টেস্ট আছে এর মাঝে। সামনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ খেলতে যাচ্ছে তারা, যে সিরিজ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার কথা বাংলাদেশের। এর সঙ্গে স্থগিত হওয়া সিরিজের মাঝে আছে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজও, যার ওয়ানডে সিরিজটি আবার আইসিসির নতুন চালু করা বিশ্বকাপ সুপার লিগের অংশ। 

    এর মাঝে অস্ট্রেলিয়া ছাড়া বাকি সিরিজগুলির পুনরায় সূচি নিয়ে মোটামুটি নিশ্চিত, এমন জানিয়েছিলেন বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান। এবার নিজামউদ্দিনও বললেন, আইসিসির নির্ধারিত সময়ের মাঝেই চূড়ান্ত করতে হবে হবে সিরিজটি, “অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সাথেও আমাদের আলাপ আলোচনা চলছে। আমরা চেষ্টা করবো যে অস্ট্রেলিয়া সিরিজটি যে কোনো সুবিধাজনক সময়ে... আসলে আমরা ফাঁকা থাকলেই তো হবেনা, অস্ট্রেলিয়ার মতো একটা বড় দলের ফাঁকা সময়েরও ব্যাপার আছে। তো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সিরিজটি চূড়ান্ত করতে হবে, আইসিসির যে নির্ধারিত সময়সীমা আছে।

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের ক্ষেত্রে, বিশ্বকাপ সুপার লিগের সময়সীমা বাড়ানোর পরিকল্পনা হচ্ছে, এমন জানিয়েছেন তিনি, “এছাড়া আয়ারল্যান্ডে ওয়ানডে কম্পিটিশনের (সুপার লিগ) খেলা, সেক্ষেত্রে আইসিসির একটা সময়সীমা বর্ধিত করার একটা পরিকল্পনা রয়েছে ইতোমধ্যে। সেই বর্ধিত সময়সীমার মধ্যেই আমরা আশা করছি যে হয়তোবা শেষ করতে পারবো।”

    তবে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের ব্যাপারে তিনি বলেছেন, “এখনো এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হয়নি। যেহেতু দুইটা সাইকেলে খেলা হচ্ছে, আগামী বছর জুনে প্রথম সাইকেলের ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল। সেটা যথাসময়ে হচ্ছে না।”

    এছাড়া নিউজিল্যান্ড তাদের আন্তর্জাতিক গ্রীষ্মের সূচিতে বাংলাদেশের সিরিজের কথাও উল্লেখ করেছিল, বিসিবির কাছেও পরিকল্পনা আছে তেমনই। শ্রীলঙ্কা সফর বাদ দিলে বাকি থাকে পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট। এর ক্ষেত্রে বিসিবির আশা, ‘অল্প সময়ের উইন্ডো দরকার হবে বলে’ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে সেটি ঠিক করা হবে। যদিও এ দুই দেশের একটিতেও খুব দ্রুত ক্রিকেট ফেরার টাইমফ্রেম নেই। 

    পাকিস্তান এখন সফর করছে ইংল্যান্ডে। আর কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে, কিংবা ভ্যাকসিন না এলে ঘরোয়া বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বাংলাদেশে হবে না, এমন জানিয়েছে বিসিবি।  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন