• বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফর ২০২০
  • " />

     

    শ্রীলঙ্কা সফরের আগে 'বায়ো-সিকিউর' বলয়ে বিসিবির আবাসিক ক্যাম্পে ২৭ জন ক্রিকেটার


    ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড, ইসিবির মডেল অনুসরণ করে বায়ো-সিকিউর বলয় তৈরির মাধ্যমে ক্রিকেটারদের স্কিল ক্যাম্প শুরু করছে বিসিবি। ২০ সেপ্টেম্বর, রবিবার থেকে মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে এই ক্যাম্প, এজন্য ২৭ জন ক্রিকেটারকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। 

    ক্রিকেটারদের হোটেলে রেখে শ্রীলঙ্কা সফরের আগ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির স্পোর্টস ফিজিশিয়ান ডাঃ দেবাশীষ চৌধুরি। যদিও শ্রীলঙ্কা সফর ঝুলে আছে এখনও। 

    “কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তার ব্যাপারগুলি মাথায় রেখে স্কোয়াডের অনুশীলন ও চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হবে বায়ো-সিকিউর বলয় তৈরির মাধ্যমে”, এক বিবৃতিতে বলেছে বিসিবি। ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পে আরও দুই দফা টেস্ট করানো হবে ক্রিকেটারদের। 

    কোভিড-১৯ মহামারিতে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে ইংল্যান্ড। ‘বায়ো-সিকিউর’ বলয় বা ‘বাবল’ তৈরি করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড ও পাকিস্তানের পর অস্ট্রেলিয়াকে আতিথেয়তা দিয়েছে তারা। 

    বিসিবিও ইসিবির সেই মডেলই অনুসরণ করতে চায় তাদের গাইডলাইন মেনে চলে, এমন বলছেন দেবাশীষ, “আইসিসির নির্দেশনায় ক্রিকেটখেলুড়ে দেশগুলি নিজস্ব পরিকল্পনার মাধ্যমে পেশাদার ক্রিকেটে ফিরছে, সম্প্রতি ইংল্যান্ড চারটি দেশকে আতিথেয়তা দেওয়ার মাধ্যমে খুব সাফল্যের সঙ্গেই নিজেদের গ্রীষ্মকালীন সূচি সম্পন্ন করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিসিবি ‘বায়ো-সিকিউর’ পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে ক্রিকেটারদের ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করছে। 
     


    “এই যে সুরক্ষা বলয়, অর্থাৎ বাবল, এর আওতায় খেলোয়াড়দের অবস্থানকালীন হোটেল, রেস্তোঁরা, গাড়ি যেটি দিয়ে যাতায়াত করবে, জিম, ট্রেনিংরুম-- সবই থাকবে। আমরা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং কোভিড-১৯ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে, ইসিবি এবং আইসিসির গাইডলাইনের আলোকে প্রতিটি খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফের আলোকে আমরা প্রতিটি খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফকে দফায় দফায় পরীক্ষা করার আলোকে তাদের শরীরে কোভিড-১৯ এর অনুপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদেরকে বায়ো-সিকিউর বলয়ে নিয়ে এসেছি। এবং শ্রীলঙ্কা সফরে আগ পর্যন্ত এই বায়ো-বাবল মেইনটেইন করার চেষ্টা করছি। 

    “এছাড়া যাদের ক্রিকেটারদের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা আছে, তাদেরকেও টেস্ট করিয়ে নেগেটিভ আসলে তারা এই মিরর বাবলে চলে আসতে পারবে। এই বাবল তৈরির মাধ্যমে চেষ্টা করছি, ক্রিকেটে অংশগ্রহণ যাতে সুরক্ষিত থাকে, এবং খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফরা যাতে নিঃসঙ্কচিত্তে খেলা চালিয়ে যেতে পারে।” 

    গত জুলাইয়ে বিসিবির অধীনে ব্যক্তিগত অনুশীলনে ফিরেছিলেন ক্রিকেটাররা। এরপর জোড়ায় জোড়ায় অনুশীলন শুরু করার পর তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কোচিং স্টাফের সদস্যরাও। এরপর ক্রিকেটারদের দফায় দফায় কোভিড-১৯ টেস্ট করানো হয়েছে। 

    ক্রিকেটারদের মাঝে এখন পর্যন্ত পজিটিভ এসেছিলেন ওপেনার সাইফ হাসান। তবে ক্যাম্পে ২৭ জনের মাঝে আছেন তিনিও। শুক্রবার আরও ১৮ জনের টেস্ট করিয়ে সবার নেগেটিভ এসেছিল বলে জানিয়েছে বিসিবি, তবে এই ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়নি সেখানে। 

    ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ২৭ জন ক্রিকেটার 

    মুমিনুল হক, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, শাদমান ইসলাম, লিটন দাস, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ মিঠুন, সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম, আল-আমিন হোসেন, রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, ইমরুল কায়েস, তাসকিন আহমেদ, নুরুল হাসান সোহান, শফিউল ইসলাম, ইয়াসির আলি রাব্বি, নাঈম হাসান, আবু জায়েদ রাহি, এবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন, হাসান মাহমুদ, সাইফউদ্দিন, সাইফ হাসান 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন