• ইউরোপা লিগ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    মেসিডোনিয়ায় টটেনহ্যামের 'ছোট গোলপোস্ট' বিভ্রাট

    ইউরোপা লিগের বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলতে বৃহস্পতিবার উত্তর মেসিডোনিয়ায় গিয়েছিল জোসে মরিনহোর টটেনহ্যাম। শক্তিমত্তায় যোজন যোজন পিছিয়ে থাকা মেসিডোনিয়ান ক্লাব এস্কেন্দিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফাইং রাউন্ডের ম্যাচটি ৩-১ গোলে জিতে লন্ডনে ফিরেছে দলটি। তবে ম্যাচ শুরুর আগে ওয়ার্মআপের সময় একটি বিষয় টটেনহ্যাম গোলরক্ষকদের চোখে পড়ে, তাদের কাছে স্বাভাবিকের চেয়ে গোলপোস্ট ছোট মনে হচ্ছিল। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গেই তারা মরিনহোকে জানান। এরপর ইউয়েফার প্রতিনিধিরাও এসে বিষয়টির প্রমাণ পান। তৎক্ষণাৎ গোলপোস্ট পরিবর্তন করার পরই ম্যাচ শুরু হয়।


    এস্কেন্দিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে এরিক লামেলার নিখুঁত ফিনিশে এগিয়ে যায় টটেনহ্যাম। তবে এরপরই এক গোলের লিডের ‘আতিশয্যে’ মনযোগ হারান তারা। আর সেই সুযোগে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ২২ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে এস্কেন্দিয়াকে সমতায় ফেরান নাফিউ। তবে ৭০ এবং ৭৯ মিনিটে সাউদাম্পটনের বিপক্ষে জয় এনে দেওয়া দুই তারকা হিউং-মিন সন এবং হ্যারি কেইনের গোলে জয় পায় টটেনহ্যাম।

    ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে ‘ছোট গোলপোস্টে’র বিষয়টি জানিয়েছেন মরিনহো নিজেই, “আমি গোলরক্ষক নই, তবে ফুটবলের সবকিছুই ছোটবেলা থেকে আমার জানা। আমি গোলপোস্টের নীচে দাঁড়িয়ে হাত বিস্তৃত করলেই বুঝতে পারি, সব ঠিক আছে কিনা। আমার দূরত্ব জানা আছে, আর তাই সেখানে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই আমি বুঝতে পারি কিছু সমস্যা আছে।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন