• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    খুশদিলের টর্নেডোতে তিনে তিন কুমিল্লার, ঢাকার দুর্দশা চলছেই

    খুশদিলের টর্নেডোতে তিনে তিন কুমিল্লার, ঢাকার দুর্দশা চলছেই    

    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ২০ ওভারে ১৮৪/৪ (খুশদিল ৬৪, রিজওয়ান ৫৫*; সৌম্য ১/৮ )

    ঢাকা ডমিনেটরস ২০ ওভারে ১৫১/৪ (নাসির ৬৬*, মিঠুন ৩৬; মোসাদ্দেক ১/১৫)

    ফলঃ কুমিল্লা ৩৩ রানে জয়ী


    প্রথম তিন ম্যাচে হারের পর পিঠ দেয়ালে। এর মধ্যে চলে গেছেন ডেভিড মালান, মোহাম্মদ নবীরা। চট্টগ্রামে এসে ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু কুমিল্লার। আজ ঢাকাকে হারিয়ে পেল টানা তিন জয়, ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পটা লিখল নতুন করে। এখন উজ্জ্বল কুমিল্লা প্লে অফের আশাও। 

    আগের দুই ম্যাচের নায়ক লিটন দাস আজ কিছুই করতে পারেননি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে তাসকিনকে স্ল্যাশ করতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন ডিপ থার্ডম্যানে। রিজওয়ান ছিলেন, তবে বেশ সতর্ক। অধিনায়ক ইমরুল এসেই বরং রানের স্লথ চাকায় ধাক্কা দিলেন। ছয়-মারে বড় কিছুর আশা দেখাচ্ছিলেন ইমরুল। কিন্তু নাসিরকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে রবিন দাসের কাছে ক্যাচ দিলেন, ফিরলেন ২৬ বলে ৩৩ রান করে। 

    অন্যদিকে জনসন চার্লস শুরুতে ছয় মারলেও শেষ পর্যন্ত ১৯ বলে ২০ রান করে আউট হয়ে যান। ১৫ ওভার শেষে ঠিক ১০০ রান কুমিল্লার। শেষ ৫ ওভারে ৫০ হলেও হয় ১৫০। তবে খুশদিল ঠিক করলেন সেখান থেকে খেলাটা বদলে দেবেন। শুরুতা করলেন বাঁহাতি স্পিনার আমির হামজাকে পর পর তিনটি ছয় ও একটি চার মেরে। সেই ওভার থেকেই নিলেন ২৯ রান। পরের ওভার মুক্তার আলীর, পর পর দুই ছয়ে পৌঁছে গেলেন ৪৭ রানে। পরের ওভারে ইমরানের বলে টানা তিন চারে, ১৮ বলে ফিফটিতে হলো এবারের বিপিএলের রেকর্ড। শেষ পর্যন্ত সৌম্যের বলে এলবিডব্লু হওয়ার আগে ফিরলেন ২৪ বলে ৬৪ রান করে। অন্য প্রান্তে রিজওয়ান ছিলেন, শেষ ওবারে গিয়ে তুলে নিলেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত রইলেন ৪৭ বলে ৫৫ রান করে। 

    এই রান তাড়া করতে নেমে ঢাকার দরকার ছিল ঝড়ো একটা শুরুর। কিন্তু তার কিছুই হলো না। সৌম্য সরকার ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ফিরলেন কোনো রান না করেই। ব্রিটিশ বাংলাদেশী রবিন দাসও ফিরলেন শূন্য রানে। আহমেদ শেহজাদ ভালো কিছু শটে শুউরুটা ভালো করেছিলেন, কিন্তু খুশদিলের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হওয়ার আগে করলেন ১৯। 

    এরপর মিঠুন ও অধিনায়ক নাসির হোসেন মিলে চেষ্টা করলেন প্রতি আক্রমণের। নাসির খেলছিলেন ভালো কিছু শট, মাত্র ৩০ বলেই করে ফেলেন ফিফটি। মিঠুন ৩৬ রানে আউট হলেও আরিফুল ও নাসির মিলে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু লক্ষ্যটা ছিল বেশিই বড়, শেষ ওভারের আগেই কার্যত খেলা শেষ হয়ে গেল। আশা জাগিয়েও কিছু করতে পারলেন না নাসির, তবে ৬৬ রানের ইনিংস খেলার পথে হয়ে গেছেন এবারের বিপিএলের সেরা রান সংগ্রাহক।