• রিও ২০১৬
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    কাপড় খুলে রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ!

    রেফারির সিদ্ধান্ত মেনে না নিতে পেরে কোচ, খেলোয়াড়েরা প্রতিবাদ করছেন- খেলাধুলায় এমনটা আকছারই দেখা যায়। তবে কাল অলিম্পিকের রেসলিং গ্রাউন্ডে যা হলো তা হয়তো আগে কখনোই দেখেনি কেউ! ব্রোঞ্জ হাতছাড়া হবার পর জামা, পায়জামা খুলে উদোম গায়ে পুরো স্টেডিয়াম ঘুরে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মঙ্গোলিয়ার দুই কোচ!  

     

    অথচ ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর কিন্তু আনন্দে মেতে উঠেছিলেন এই মঙ্গোলীয়রাই। পয়েন্টে এগিয়ে থাকায় মঙ্গোলিয়ার কুস্তিগির গানজোরিগিন মানডাখারানের ব্রোঞ্জ জেতাও নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হুট করেই রেফারি মানডাখারানের বিরুদ্ধে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ এনে উজবেকিস্তানের ইখতিয়র নাভরুযভকে পেনাল্টি পয়েন্ট দিয়ে জয়ী ঘোষণা করেন।

     

     

     

    রেফারির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে চাইলে সেটিও নাকচ করে দেয়া হয়। মানডাখারান ততক্ষণে হতাশা আর বিস্ময়ে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছেন। এরপরই সবার সামনে জামা,পায়জামা খুলতে শুরু করে দুই কোচ সেরেনবাটার সোগটবায়ার এবং সহকারী কোচ বিয়ামবারেনচীন বায়ারা।। পুরো স্টেডিয়ামের দর্শক হতবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল তাদের দিকে। মঙ্গোলীয় সমর্থকরা মুহুর্মুহু দুয়োধ্বনিতে ভরিয়ে তুলেছিল পুরো জায়গাটি। উপস্থিত ব্রাজিলেরাও “মঙ্গোলিয়া, মঙ্গোলিয়া” স্লোগানে সমর্থন দিয়ে গেছেন তাঁদের।

    এরকম সিদ্ধান্ত একেবারেই মেনে নিতে পারেননি কোচ বায়ারা, “জঘন্য রেফারিং হয়েছে। রেফারি উজবেকিস্তানের পক্ষ নিয়েছেন। ৩০ লাখ দেশবাসী আশা করে ছিল আমরা ব্রোঞ্জ জিতব, কিন্তু এখন খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে। শতভাগ দর্শকও আমাদের সাথে ছিল।”

    পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপের দিকে যেতে নিলে দুই কোচকে স্টেডিয়ামের বাইরে নিয়ে যায় নিরাপত্তাকর্মীরা।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন