• রিও ২০১৬
  • " />

     

    লিভারপুলই আমাকে স্বর্ণ জিততে অনুপ্রেরণা দিয়েছে

    আগস্টে রিও অলিম্পিকে ৪০০ মিটার দৌড়ে জিতেছেন স্বর্ণ পদক। তাও আবার মাইকেল জনসনের ১৭ বছর স্থায়ী বিশ্বরেকর্ড ভেঙ্গে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকান স্প্রিন্টার ওয়েড ভ্যান নিকার্ক জানাচ্ছেন, লিভারপুল দলই নাকি এই বিশ্বরেকর্ড গড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।

    রিও গেমসে ৪৩.০৩ সেকেন্ডের সেই পাগুলে দৌড়ের পরেই বিশ্বব্যাপী খ্যাতি পেয়ে যাওয়া ওয়েড ছোটবেলা থেকেই লিভারপুলের পাঁড় সমর্থক। কিন্তু লিভারপুল কিভাবে অনুপ্রেরণা দিয়েছে সেটা শোনা যাক ২৪ বছর বয়সী নিকার্কের মুখ থেকেই, "অলিম্পিক গেমসে ৪০০ মিটার ফাইনালের দিন হোটেলে নিজের রুমে ছিলাম একাই। আমার ইভেন্ট ছিল রাতে, বেশ দুশ্চিন্তা আর ভয় কাজ করছিল। দৌড়ের আগে চাপটা কমানো দরকার ছিল। তাই বিকেলে টেলিভিশনে দেখতে শুরু করলাম আর্সেনাল-লিভারপুলের ম্যাচ। টানা ২ ঘণ্টা কেবল ফুটবল নিয়ে ভেবেছি, টানটান উত্তেজনা নিয়ে খেলা দেখেছি। ওই সময়টায় দৌড়াবার কথা একবারও মনে পড়েনি। ৪-৩ গোলে লিভারপুল জিতে যাওয়ায় বেশ উৎফুল্ল ছিলাম। সেটাই স্বর্ণ জেতার জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল অনেকখানি।" খেলা দেখার পর কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে এরপর যান অলিম্পিক স্টেডিয়ামে। বাকিটুকু তো ইতিহাস!

     

     

    লিভারপুলের প্রতি ভালোবাসার কথা জানতে পেরে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ওয়েডকে বিশেষ নিমন্ত্রণ জানিয়েছিল অনুশীলন মাঠ মেলউডে। বেশ খানিকটা সময় ছিলেন সেখানে। কথা বলেছেন দলের ম্যানেজার ক্লপের সাথে, দেখা হয়েছে পূর্ব পরিচিত হেন্ডারসন ও স্টারিজের সাথেও। ভবিষ্যতে লিভারপুলের দ্রুতগতিসম্পন্ন দুই খেলোয়াড় সাদিও মানে ও ক্লাইনের সাথে রেস করার চ্যালেঞ্জটাও সানন্দে লুফে নিয়েছেন। দারুণ খুশি ওয়েড জানিয়েছেন, অনেকদিন মনে রাখার মত অভ্যর্থনাই পেয়েছেন প্রিয় ক্লাবের পক্ষ থেকে।

    গত সপ্তাহে প্রথমবার স্টেডিয়ামে বসে দেখেছেন লিভারপুলের খেলা। গুডিসন পার্কে এভারটনকে হারানো সাদিও মানের অন্তিম সময়ের গোলটা নিকার্কের অন্যরকম অভিষেকটাকেও করে রেখেছে স্মরণীয়। তবে এই দক্ষিণ আফ্রিকানের লিভারপুল-চক্র পূরণের আরেকটা ধাপ এখনো বাকি। ক্লাবের নিজেদের স্টেডিয়াম অ্যানফিল্ডে বসে অলরেডদের প্রিয় গান 'You'll Never Walk Alone' গাইবার সেই শখটাও পূরণ হবে ২৭ ডিসেম্বর স্টোক সিটির বিপক্ষে ম্যাচে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন