• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন
  • " />

     

    নাদাল-ফেদেরারের স্বপ্নের ফাইনাল

    দুই বার ম্যাচ পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছিল। তৃতীয়বার গ্রিগর দিমিত্রভের শটটা দাগের ঠিক ওপারে পড়ল। সঙ্গে সঙ্গেই দুই হাতে মুখ চেপে মাটিতে শুয়ে পড়লেন রাফায়েল নাদাল। অবিশ্বাস্য, মহাকাব্যিক এক ম্যাচ শেষে ২১তম গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনালে পৌঁছেছেন, নাদালের আবেগ তাই বাঁধ মানল না। তার চেয়েও বড় কথা, রোববার ফাইনাল মঞ্চ সাজিয়ে দিল সেই বহুল প্রতীক্ষিত মহাকাব্যিক লড়াইয়ের, আরেকটি রজার ফেদেরার-রাফায়েল নাদাল ফাইনালের জন্য প্রস্তুত বিশ্ব!

    প্রায় পাঁচ ঘন্টার রুদ্ধশ্বাস এক লড়াইয়ের পর ৬-৩, ৫-৭, ৭-৬, ৬-৭, ৬-৪ সেটে ম্যাচটা জিতলেন নাদাল। ক্যারিয়ারে এর আগে অনেকবারই ফাইনালে উঠেছেন, তবে এর চেয়ে বেশি ভুগতে বোধ হয় কমই হয়েছে। আক্ষরিক অর্থেই প্রতিটি পয়েন্টের জন্য নাদালের ঘাম ঝরিয়ে ছেড়েছেন ১৫তম বাছাই দিমিত্রভ। নাদাল ম্যাচের জন্য যখন সার্ভ করছেন, দুইবার ম্যাচ পয়েন্টও বাঁচিয়ে ফেলেছিলেন। তবে তৃতীয়বার আর সেটা করতে পারলেন না, নাদালের অভিজ্ঞতার কাছেই আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে তাঁকে।

    অথচ একটা সময় মনে হচ্ছিল, নাদালের মতো খেলেই ম্যাচটা বের করে নিয়ে যাবেন দিমিত্রভ। প্রথম সেটে হারের পর দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন। তৃতীয় সেটে নাদাল আবার জেতার পর চতুর্থ সেটও আবার গড়াল টাইব্রেকারে। এবার দিমিত্রভ দাঁতে দাঁত চেপে সেটটা জিতে গেলেন। পঞ্চম সেটেও দারুণ খেলছিলেন, দুজনের স্ট্যামিনারও চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়ে যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত নাদাল ব্রেক করে আর পা হড়কাননি, ২০১৪ সালের পর আবার কোনো গ্র্যান্ড স্লাম ওপেনের ফাইনালে উঠলেন।তার চেয়েও বড় কথা, ২০১১ রোঁলা গাঁরোর পর আবারও কোনো গ্র্যান্ড স্লামে মুখোমুখি ফেদেরার-নাদাল। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন