• ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    ৫ রানের জন্য নিজেদের রেকর্ড ভাঙতে পারল না আবাহনী

    ইতিহাস এভাবেই ফিরে ফিরে এলো! এক বছর আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছিল আবাহনী। সেই ম্যাচের প্রতিপক্ষ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানের সঙ্গেই আজ একটুর জন্য ভাঙতে পারল না সেই রেকর্ড। এক বছর আগে সেই ম্যাচে আবাহনী করেছিল ৩৭১, এবার ইনিংস শেষ করেছে ৩৬৬ রানে। লিস্ট এ ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো ক্লাবের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।

    কাকতাল এখানেই শেষ নয়। এক বছর আগে আবাহনীর রেকর্ড রানে সেঞ্চুরি করেছিলেন লিটন দাশ। এবারও লিটনের সেঞ্চুরিতেই পথ দেখেছে আবাহনী। সেবার সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক, আর এবার তিন অঙ্কের দেখা পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সেবার ২২ বলে ফিফটি করে ঝড় তুলেছিলেন সাকিব। এবার ২৭ বলে অপরাজিত ৪৮ রানের ইনিংসে আবাহনীকে পাহাড়ে তুলে দিয়েছেন শুভাগত হোম।

    আজ বিকেএসপিতে আবাহনীর শুরুটা হয়েছে দুর্দান্ত। লিটন ও সাদমান ১৫ ওভারে দলের স্কোর ১০০ ছাড়িয়েছেন। সাদমান ২৮ রানে ফিরে গেলেও লিটনের সঙ্গে এরপর হাল ধরেছেন নাজমুল, দুজন মিলে যোগ করেছেন আরও ১০৯ রান। লিটন সেঞ্চুরি করেছেন ৭৯ বলে। লিস্ট ক্যারিয়ারে নিজের সর্বোচ্চ স্কোরের দিকেও এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে ১৫টি চার ও দুই ছয়ে ১০৩ বলে ১৩৫ রান করার পর ফিরে গেলেও রানের চাকা সচল ছিল আবাহনীর। এর মধ্যে নাজমুলও পেয়ে গেছেন লিস্ট এ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তিনটি চারের পাশাপাশি মেরেছেন ছয়টি ছয়।  তবে অন্য দিকে ততক্ষণে ঝড় শুরু করে দিয়েছেন শুভাগত।  

    ৩৯.৩ ওভারে যখন ক্রিজে নেমেছিলেন, তখন আবাহনীর রান ২৬৬। শুভাগত নামার পরের ১০.৩ ওভারে ঠিক ১০০ রান করেছে আবাহনী। মোহামেডানের একমাত্র তাইজুল ছাড়া বাকি সবার ওপরেই ঝড় গেছে। ১০ ওভারে ৫৭ রান দিয়ে তাইজুল পেয়েছেন ৩ উইকেট।  

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন