• ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    রেলিগেশন ফাঁড়া কাটালো কলাবাগান

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    খেলাঘর ২০৪/৭, ৫০ ওভার (রাফসান ৭১, নাসিম ৩/৩৪)

    কলাবাগান ২০৫/৫, ৪৭.৫ ওভার (জসীম ৮৯, রনদিভ ৩/৩১)

    ফলঃ কলাবাগান ৫ উইকেটে জয়ী


    রেলিগেশনের ফাঁড়া কাটাতে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল দুই দলের কারোরই। প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে সেই জয়টা পেয়ে গেছে কলাবাগান, আর খেলাঘরকে খেলতে হবে প্লে-অফ। সেই যাত্রায় তাদের সঙ্গী পারটেক্স ও ভিক্টোরিয়া।

     

    বিকেএসপিতে টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন কলাবাগান অধিনায়ক মুক্তার আলি। অধিনায়কের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েই যেন নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পসরা সাজিয়ে বসলেন কলাবাগান বোলাররা। প্রথম পাওয়ারপ্লেতে খেলাঘর তুলতে পেরেছিল মাত্র ৩৩ । ৫০ ওভার শেষেও রানরেটটা বাড়েনি খুব একটা, ৭ উইকেটে তাই ২০৭ রানেই থামতে হয়েছে তাদের। রাফসান করেছেন ৭১, আরিফুরের ৪৬। ১০ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন কলাবাগানের পাকিস্তানী বোলার সাদ নাসিম। নাবিল সামাদ ১০ ওভারে ৩০ রানে নিয়েছেন ২টি, আর ৭ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ১টি উইকেট সনজিত সাহার।

     

    কলাবাগানের ওপেনিং জুটিতেই এসেছে ৫০ রান। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান তাসামুল ১৭ রানে ফিরলেও জসীমউদ্দীন আউট হওয়ার আগে করেছেন ৮৯ রান। মোহাম্মদ আশরাফুলের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে তাঁর ১০৪ রানের জুটিই কলাবাগানকে নিয়ে গেছে নিরাপদ অবস্থানে। জয় থেকে ১১ রান দূরে ৫৬ রানে আউট হয়েছেন আশরাফুল, মেহরাব জুনিয়র ও মুক্তার সেরেছেন বাকি কাজটা।

     

    লিগের প্রথম পর্বের শেষ দুই ম্যাচে টানা জিতলো কলাবাগান, তবে এসব জয় শুধু রেলিগেশনের ফাঁড়াটাই কাটাতে পারলো!  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন