• জাতীয় লিগ ২০১৭
  • " />

     

    মার্শালের সেঞ্চুরি, সানজামুলের পাঁচ উইকেট

    জাতীয় লিগ, তৃতীয় রাউন্ড

    খুলনা-ঢাকা (চট্টগ্রাম) 
    খুলনা ১ম ইনিংস ৫১৯/৯, ১৪৭ ওভার (নাদিফ ১৬৬, মোশাররফ ১২৫, তাইয়াবুর ৭৯, শুভাগত ৬৬, মেহেদী ৩/১০৩, আলামিন ২/৪৪) 
    খুলনা ১ম ইনিংস ২৪৭ অল-আউট, ৭১ ওভার (জিয়াউর ১০৪, নুরুল ৩১, অপু ৪/৭৯, হোম ৩/৫৫)  ও ২য় ইনিংস ১৮০/৪, ৯০ ওভার (তুষার ৬৩, মিঠুন ৩৭, মোশাররফ ২/১৬, শুভাগত ২/৫২) 
    ফল : ম্যাচ ড্র 

    ঢাকা মেট্রো-রাজশাহী (খুলনা) 
    রাজশাহী ১ম ইনিংস ২২০ অল-আউট, ৭৭.১ ওভার (জুনাইদ ৮৫, মিজানুর ৫৬, ডলার ৩/৩৫, শরীফ উল্লাহ ৩/৫৭) 
    মেট্রো ১ম ইনিংস ৩২৯/৯, ১২০ ওভার (মার্শাল ১৩১, মেহরাব ৮৯, সানজামুল ৫/১২৪, সাকলাইন ২/১০৭) 
    ফল : ম্যাচ ড্র 

    বরিশাল-রংপুর (রাজশাহী) 
    রংপুর ৬১/১ , ১৬.২ ওভার (সোহরাওয়ার্দি ৩৪*, জাভিদ ২৪*, কামরুল ১/২০)
    ফল : ম্যাচ ড্র  

    চট্টগ্রাম-সিলেট (বগুড়া) 
    ম্যাচ পরিত্যক্ত


    পচেফস্ট্রুমে বাংলাদেশ যখন ড্রয়ের আশা নিয়ে হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়ছিল, চট্টগ্রামে তখন দৃঢ়তা দেখাচ্ছিলেন খুলনার ব্যাটসম্যানরা। ফলো-অনে পড়েও মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে শেষদিনের পুরোটা ব্যাটিং করে দিয়েছেন তারা, ফলে জয়বঞ্চিত হয়েছে ঢাকা। 

    আভাস অবশ্য আগেরদিনই দিয়েছিলেন খুলনার দুই ওপেনার, ৭ ওভারে ৭ রান নিয়ে। রবিউল ইসলাম ৭৯ বল খেলে আউট হয়েছিলেন, ৩ ওভারের মাঝেই ঢাকা নিয়েছিল দ্বিতীয় উইকেট। দুজনকেই রকিবুলের হাতে ক্যাচ বানিয়েছেন ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি করা মোশাররফ হোসাইন। তবে ঢাকার দ্রুত উইকেট নেওয়ার আশা এরপরই মিইয়ে গেছে প্রায়, এনামুল হক বিজয়ের সঙ্গে তুষার ইমরানের জুটিতে। ২৫৩ মিনিট ব্যাটিং করে ১৭২ বলে ৩৫ রান করেছেন বিজয়, তুষার ইমরান ২১৫ মিনিট ও ১৮৯ বলে করেছেন ৬৩। মোহাম্মদ মিঠুন ছিলেন ১০৭ মিনিট। ঢাকার জয়ের আশা তখন মিলিয়ে গেছে, চাপ জয় করে খুলনা ‘জয়’ করেছে ড্র।

    খুলনায় আগেরদিনই ফিফটি পেয়েছিলেন মার্শাল আইয়ুব, এবার পেলেন এবারের জাতীয় লিগে প্রথম সেঞ্চুরিটাও। প্রথম শ্রেণিতে মার্শালের এটি ১৫তম সেঞ্চুরি। রাজশাহীর সঙ্গে ম্যাচে সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েও পাননি আরেক ব্যাটসম্যান মেহরাব জুনিয়র, আউট হয়েছেন ৮৯ রানে। আর রাজশাহীর হয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন সানজামুল ইসলাম। প্রথম শ্রেণিতে এই বাঁহাতি স্পিনারের এটি ইনিংসে ১২তম বার পাঁচ উইকেট। ঢাকার ইনিংস ঘোষণার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ ওভার ব্যাটিং করেছে রাজশাহী, সে ম্যাচকেও অবধারিতভাবে মেনে নিতে হয়েছে ড্রয়ের ভাগ্য। 

    রাজশাহীতে শেষদিন খেলা হয়নি, আর শেষদিনে এসেও কোনও বলের মুখ দেখেনি বগুড়ায় চট্টগ্রাম ও সিলেটের ম্যাচ। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন