• জাতীয় লিগ ২০১৭
  • " />

     

    ইফতেখারের ৫ উইকেট, মেহরাবের ৬ রানের আক্ষেপ

    জাতীয় লিগ, চতুর্থ রাউন্ড, দ্বিতীয় দিনশেষে 

    রংপুর-খুলনা (প্রথম স্তর, খুলনা) 
    খুলনা ১ম ইনিংস ২১৮ অল-আউট, ৫৮.৪ ওভার (বিজয় ৬১, নাহিদুল ৫১, মিঠুন ২৭, আরিফুল ৪/৪৯, সোহরাওয়ার্দি ৪/৫৭, তানভির ২/২১) 

    ঢাকা-বরিশাল (প্রথম স্তর, কক্সবাজার) 
    ঢাকা ১ম ইনিংস ২৫০ অল-আউট (রনি ৬৮, শরিফ ৫৮, তাইয়াবুর ৪৬, সালমান ৪/৩৮, মনির ৩/৫৩, তানভির ২/২৬) 
    বরিশাল ২০১/৬, ৭৭ ওভার (সোহাগ গাজি ৭৩, নুরুজ্জামান ৫১, শাহিন ৩০, শুভাগত ৩/৫৩, মোশাররফ ২/৫৫)

    চট্টগ্রাম-ঢাকা (দ্বিতীয় স্তর, চট্টগ্রাম) 
    ঢাকা মেট্রো ১ম ইনিংস ৩৬৯/৯ ডিক্লে., ১৩১.১ ওভার (মেহরাব ৯৪, আশরাফুল ৬৬, আসিফ ৬৪*, ইফতেখার রনি ৫/৯১)
    চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস ৪১/১, ১৮ ওভার (সাদিকুর ২৬*, জসিম ১০, আশরাফুল ১/১০)

    রাজশাহী-সিলেট (দ্বিতীয় স্তর, বগুড়া) 
    সিলেট ৯৫/৬, ৪০ ওভার (সায়েম ৪৭, দেলোয়ার ২/২৫, ফরহাদ ২/৩৯) 


    শামসুর ফিফটির চার রান দূরে থেমেছেন, সৈকত আলি দুই রান দূরে। মোহাম্মদ আশরাফুল ও আসিফ আহমেদ আটকে গেছেন সত্তরের ঘরে, ৬৮ ও ৬৬ করে। কিন্তু এদের আফসোস মেহরাব হোসেন জুনিয়রের ধারেকাছেও না, তিনি যে কাটা পড়েছেন নড়বড়ে নব্বইয়ের ঘরে। ৬ রানের জন্য প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের ১৭তম সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি ঢাকা মেট্রোর এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের। তিনি বোল্ড হয়েছেন চট্টগ্রামের ডানহাতি পেসার ইফতেখার সাজ্জাদ রনির বলে। রনি নিয়েছেন ক্যারিয়ারে চতুর্থবার ইনিংসে পাঁচ উইকেট। দ্বিতীয় দিনে ৩৬৯ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রো, দিনশেষে ৪১ রানে ১ উইকেট হারিয়ে ব্যাট করছে চট্টগ্রাম। 

    খুলনায় দিনটা অবশ্য বোলারদেরই। দ্বিতীয় দিনে উইকেট পড়েছে মোট দশটি। এর মাঝে নিজেদের ব্যাটিং ঝলক দেখিয়েছেন ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ শরিফ ও বরিশালের সোহাগ গাজি। আট নম্বরে নেমে শরিফ করেছেন ৫৮, আগের দিন রনি তালুকদারের ফিফটিসহ ঢাকা প্রথম ইনিংসে করতে পেরেছে ২৫০ রান। ৭৫ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়া বরিশালকে এরপর পথ দেখিয়েছে মোহাম্মদ নুরুজ্জামান ও সোহাগের ৫ম উইকেটে ১১০ রানের জুটি। সোহাগ আউট হয়েছেন ৭৩ রানে, নুরুজ্জামান অপরাজিত ৫১ রানে। বরিশাল পিছিয়ে আছে ৪৯ রানে। 

    রাজশাহীতেও আট নাম্বারে নেমে ফিফটি পেয়েছেন নাহিদুল ইসলাম, শুরুতে পেয়েছিলেন এনামুল হক বিজয়। তবে দুজনের ফিফটির পরও ২১৮ রানে অল-আউট হয়ে গেছে খুলনা, আরিফুল হক ও সোহরাওয়ার্দি শুভ দুইজনই নিয়েছেন চারটি করে উইকেট। দুইদিন মিলিয়ে এ ম্যাচে খেলা হয়েছে ওই ৫৮.৪ ওভারই। 

    বগুড়ার অবস্থা আরও খারাপ, দুইদিন মিলিয়ে সিলেট ও রাজশাহী সেখানে খেলতে পেরেছে মাত্র ৪০ ওভার। এই ৪০ ওভারেই অবশ্য নিজেদের অবস্থা আরও খারাপ করে ফেলেছে সিলেট। সায়েম আলমের ৪৭ রানের ইনিংসের পরও ৯৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে তারা ধুঁকছে সেখানে। 

      

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন