• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    নাফীসদের পরখ করতে আগেভাগেই মুডি

    এক যুগ আগে শ্রীলঙ্কার কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তবে এখন তিনি পুরোপুরিই টি-টোয়েন্টির ‘কাবুলিওয়ালা’ কোচ। বেশ কয়েক বছর ধরেই আইপিএলের সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দায়িত্বে আছেন। সামনের পিএসএলে মুলতান সুলতানসেরও কোচ হচ্ছেন। এবার বাংলাদেশেও অভিষেক হচ্ছে টম মুডির, দায়িত্ব নিয়েছেন রংপুর রাইডার্সের। এবারের দায়িত্বটা নিচ্ছেন নতুন একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই। স্থানীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করার জন্য আগেভাগেই চলে এসেছেন বলে জানালেন।

     

    কোচ হিসেবে বেশ কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজিতে কাজ করলেও বাংলাদেশের সাবেক এই অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার এবারই প্রথম আসছেন। টুর্নামেন্ট শুরু হতে এখনো দিন দশেক বাকি। এখনো বিদেশী খেলোয়াড়েরা এসে পৌঁছাননি। তবে স্থানীয়দের পরখ করতে মুডি চলে এসেছেন আগেভাগেই। নিজের উদ্দেশ্যটাও বললেন পরিষ্কার করে, ‘আমি কয়েক দিন আগেই চলে এসেছি, কারণ আমি স্থানীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে আগেভাগে কাজ শুরু করতে চেয়েছিলাম। ওদের ব্যক্তিগতভাবে চেনাটা আমার জন্য প্রয়োজন। ওরা কীভাবে খেলে, বোঝাপড়া কেমন তাও আমার জানা দরকার।’ শিরোপার চেয়ে দলের মধ্যে সেই আবহ থাকার গুরুত্বই মুডির কাছে সবার আগে, ‘আসলে এখানে অনেকগুলো ব্যাপার আছে। দলের বাইরে যাদের মধ্যে একটা ভালো পরিবেশ থাকে, সেটা মাঠের খেলাতেও বোঝা যায়। সেই আবহটা দলে থাকাটা আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ’

     

    রংপুরে অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফি বিন মুর্তজার সাথেও কাজ করবেন মুডি। সেটার জন্যও অপেক্ষা করছেন সাগ্রহে, ‘মাশরাফির অভিজ্ঞতা অনেক। আমি ওর সঙ্গে কখনো কাজ করিনি, এবার সেজন্য সাগ্রহে অপেক্ষা করছি।’ রংপুরে এর মধ্যেই শাহরিয়ার নাফীস, মোহাম্মদ মিঠুন, শামসুর রহমানদের পেয়েছেন মুডি। আর ম্যাককালাম, গেইল, মালিঙ্গারা তো সামনে আসছেনই।

     

    টি-টোয়েন্টি কোচ হিসেবে মুডি এর মধ্যেই পেয়েছেন সাফল্যের দেখা। মুস্তাফিজুর রহমানের অভিষেক বছরে সানরাইজার্সের হয়ে জিতেছেন আইপিএল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে উপমহাদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোতে থিতু হলেন কেন? মুডির উত্তর, ‘আমি সব সময়ই উপমহাদেশে কাজ করার চ্যালেঞ্জ নিতে চেয়েছি, সেজন্যই ২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কার দায়িত্ব নিয়েছিলাম। নিজের কমফোর্ট জোনে থাকলে তো ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার কোথাও কোচই হতে পারতাম। আমি এই চ্যালেঞ্জের সুযোগটাই দুই হাত ভরে নিতে চাই।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন