• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    বিপিএলের ফিক্সিং নিয়ে মুখ খুললেন ন্যানেস

    পার্থ টেস্ট শুরুর দিনেই সামনে এসেছিল খবরটি। অ্যাশেজে ফিক্সিংয়ের চেষ্টার পরিকল্পনাকারি দুই ভারতীয় জুয়াড়ির ব্যাপারে রিপোর্ট করে হইচই ফেলে দিয়েছিল ইংলিশ পত্রিকা ‘দ্যা সান।’। জানা গেছে, ওই দুই জুয়াড়ি আইপিএল, বিগ ব্যাশ ও বিপিএলের ফিক্সিংয়েও জড়িত।  সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার ডার্ক ন্যানেস এবার বলছেন, ২০১৩ বিপিএলে বেশ কিছু ম্যাচে স্পট ফিক্সিংয়ের আভাস পেয়েছিলেন তিনিও।

     

     

     

    ২০১৩ সালের বিপিএল ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে মোহাম্মদ আশরাফুলসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়। এক বছর বন্ধ থাকার পর নতুনভাবে শুরু হয় বিপিএল।

     

    ২০১৩ সালে সিলেট রয়্যালসের হয়ে খেলতে এসেছিলেন ন্যানেস। সেবার ম্যাচ চলার সময় ফিক্সিং নিয়ে কিছুটা সন্দেহ জেগেছিল তাঁর মনেও, “যখন বিপিএলে খেলেছিলাম, তখন বেশ কিছু ব্যাপার আমার নজরে এসেছে। নিয়ম না থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা ম্যানেজারদের সাথে মাঠে নেমে যেতেন, পরে কী কী করতে হবে সেটাও চিৎকার করে বলতেন। নিরাপত্তাকর্মীরা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও লাভ হতো না। ডাগআউটের পাশে ফোন হাতে বসে থাকতে তাঁরা, কোচের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করতেন।”

     

    জুয়াড়িরা দর্শকসারিতেই বসে থাকত বলে জানা ন্যানেস, “জুয়াড়িরা মাঠেই থাকত দর্শকের বেশে। ১০ টা মোবাইল, শার্টের বোতামের ফাঁকে মাইক্রোফোন নিয়ে বসত তাঁরা। কিছু হলেই তারা ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়ত। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দেওয়া ছাড়া কিছুই করার থাকে না। বাংলাদেশে আসলে এটাও সম্ভব না।”

     

     

     

    অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেওয়ার ব্যাপারে বলেছিল জুয়াড়ি। তবে অস্ট্রেলিয়ানরা এই ‘ফাঁদে’ পা দেবেন না বলেই বিশ্বাস ন্যানেসের, “পত্রিকার ওই রিপোর্টে পড়লাম অস্ট্রেলিয়ানদের নাকি ৬০ হাজার পাউন্ড দেওয়া হবে। আমার মনে হয় না ক্রিকেটাররা এসবের ধারেকাছেও যাবেন।”  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন