• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    বাউন্সি উইকেট অসম্ভব মনে হয় মাশরাফির কাছে

    বিপিএলের আলোচনায় অনেকখানি জুড়েই থাকে উইকেটের আচরণ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের যে চাহিদা, ব্যাটিং উইকেট, সেটাও মাঝে মাঝে মেটাতে গিয়ে হিমশিম খায় বিপিএল। বেশ কয়েকটা ম্যাচ টানা খেলার ধকল নিতে পারে না উইকেটগুলো। এবার বিপিএলের শুরুটা হচ্ছে সিলেটের মতো নতুন উইকেট দিয়ে। রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলছেন, উইকেট যেমনই হোক, বাংলাদেশে আসলে বাউন্সি উইকেট বানানো প্রায় অসম্ভবই। সিলেটের উইকেটও তাই ধীরগতিরই হবে বলে ধারণা তার। 

    ‘আমরা আসলে বাউন্স বাউন্স করি, আসলে সম্ভব না। আবহাওয়া আসলে উপযুক্ত না আমাদের সেরকম উইকেটের জন্য। নিচের মাটি শুকিয়ে যায়, বাউন্স আর থাকে না। তবে শীতে একোটু ময়েশ্চার থাকে, সেটা ভাল করে রোলিংয়ে কাজে লাগানো যায়। তবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না আসলে। উইকেট দেখে ধীরগতিরই মনে হচ্ছে। তবে তবে বাউন্স থাকতে পারে, রোলিং ও পানি দেওয়াটা ঠিকঠাক করা হলে।’ 

    বাউন্সি উইকেটের কথাটা তাই মাশরাফির কাছে বলার জন্যই বলা মনে হয়, ‘কেউ বললেও সেটা বোঝানোর জন্যই বলা। আসলে সম্ভব না। টেস্টে পাঁচদিন ধরে বাউন্সি ট্র্যাক বানিয়ে রাখা সম্ভব না। উইকেটে ঘাস রাখলেও যেটা হয়, সেটা মরে গিয়ে শেষে ফ্ল্যাট উইকেটেই পরিণত হয়। কিছুক্ষণ থাকতে পারে। যেমন টি-টোয়েন্টিতে। হয়তো দুই আড়াই ঘন্টা রাখা যায়। তবে একই উইকেটে আরেকটা ম্যাচ হলে সেটা আবার বদলে যাবে।’ 

    তবে সিলেট ভেন্যু নিয়ে আর সবার মতো উচ্ছ্বসিত মাশরাফিও, ‘একটা টি-টোয়েন্টি খেলতে এসেছিলাম, তিন চার বছর আগে। পরিবেশ খুব ভাল। এটা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মাঠ। গ্যালারি ড্রেসিংরুম দেখে মনে হচ্ছে সেটাই। দর্শকদের জন্য আসনগুলো খুব ভাল। দর্শনীয় সব মিলিয়ে।’ 
     

     

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন