• অ্যাশেজ ২০১৭-১৮
  • " />

     

    পেরির ঐতিহাসিক ইনিংস

    ১৯৪ রানে দাঁড়িয়ে তিনি। অন্যদিকে শেষ ব্যাটসম্যান। ডাবল সেঞ্চুরি হাতছানি দিচ্ছে, এলিস পেরি ‘ছয়’-ই মেরে বসলেন লরা মার্শের বলে। উদযাপনও শুরু করে দিলেন। তবে বাউন্ডারি থেকে দর্শকরা চিৎকার শুরু করলো, আদতে নাকি হয়েছে চার! রিপ্লে নিশ্চিত করলো সেটাই। 

    তবে পেরি বেশিক্ষণ অপেক্ষা করলেন না। পরের ওভারে সোফি এক্সেলেসটনকে চার মেরে পূর্ণ করলেন ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। শুধু ডাবল সেঞ্চুরি কেন, পেরির তো এটিই প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি। 

    সেই এক্সেলেসটনকে ‘কাউ-কর্নার’ দিয়ে ছয় মেরেই পেরি ছাড়িয়ে গেলেন ক্যারেন রলটনকে, হয়ে গেলেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মেয়েদের টেস্টের সর্বোচ্চ স্কোরার। ২১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা, তার ডাবল সেঞ্চুরিই অস্ট্রেলিয়াকে ফিরিয়েছে অ্যাশেজের একমাত্র টেস্টে। সব মিলিয়ে মেয়েদের টেস্টে এটি ৭ম ডাবল সেঞ্চুরি, তৃতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস। 

    চার নম্বরে নেমেছিলেন পেরি, ১৩ রানের মাঝেই ৩ উইকেটের এক ধ্বস তখন চোখ রাঙাচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে। পেরির ইনিংস উলটো ১৬৮ রানের লিড এনে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। ‘সাউদার্ন স্টার’-এর এ ইনিংসকে তুলনা করা হচ্ছে বব সিম্পসনের ১৯৬৪ সালের ম্যানচেস্টার টেস্টের ৩১১ বা স্টিভ ওয়াহর ১৯৯৫ সালে জ্যামাইকা টেস্টের ২০০ রানের বিখ্যাত ইনিংসের সঙ্গেও। 

    নর্থ সিডনি ওভালে মেয়েদের অ্যাশেজের গতিপথ বদলানো এক ইনিংসই যে খেললেন পেরি। তাও আবার ঘরের মাঠে। গ্যালারিতে স্বামী, পরিবারকে সাক্ষী রেখেই এ ঐতিহাসিক ইনিংসে খেলেছেন তিনি। 

     

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন