• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    নিজ শক্তির জায়গা থেকে নড়েননি জাকির

    জাকির হাসান, বিপিএল ২০১৬। ৫ ম্যাচ, ২ ইনিংস। ১০ বলে ৯, ৯ বলে ৩। চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে গতবারের বিপিএলটা ভাল যায়নি বাঁহাতি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের। কোচদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন এ নিয়ে, তাদের পরামর্শ মতোই কাজ করতে চেয়েছেন এ মৌসুমে। সে সুযোগটা জাকির পেলেন আজ এসে। প্রথম ম্যাচে নেমেই ২৬ বলে ৪ চার ও ৩ ছয়ে ৫১ রান, সঙ্গে ম্যাচসেরার পুরষ্কার। জাকির যেন প্রথম বাজিতে মাত করে দিলেন! রাজশাহী কিংসের  আজকের ম্যাচের নায়ক স্মরণ করছেন অবশ্য কোচদের টোটকাটাই। 

    ‘গত বছর আমি খুব একটা ভালো খেলিনি। ওইটা নিয়ে আমি আমার স্যারদের সাথে কথা বলেছি। উনারা বলেছিলেন, আমার শক্তির জায়গা যেটা সেটা নিয়ে কাজ করতে। আমি সেটাই করেছি। এ কারণেই সফলতা পেয়েছি।’

    ‘শট খেলার ক্ষেত্রে আমার শক্তির জায়গাটা ধরেই আমি অনুশীলন করেছি। আজকে চেষ্টা করেছি নিজের শক্তির জায়গার বাইরে না গিয়ে খেলার।’

    জাকির বাইরে গিয়েছিলেন অবশ্য একবার। নাবিল সামাদের বলে মারতে গিয়ে তুলেছিলেন ক্যাচ। তবে নো-বলে পাওয়া সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন এরপর, ‘‘তখনই মনে হয়েছে যে আজ আমার দিন। ভাগ্য আমার সঙ্গে ছিল।’ 

    বয়সভিত্তিক দলে জাকির নিয়মিতই খেলেছেন মেহেদী হাসান মিরাজদের সঙ্গে। প্রথম শ্রেণিতে অভিষেক হয়েছিল সিলেটের হয়ে, জাকির যে সিলেটেরই ছেলে। এবার সে সিলেটই ছারখার হলো জাকিরের ব্যাটিংয়ে। এতে অবশ্য মজাই পাচ্ছেন তিনি, ‘এটা একটা মজার বিষয়, সিলেটের বিপক্ষেই এমন একটা ইনিংস খেললাম। এটা আমার একটা স্বপ্ন ছিল, সিলেটের বিপক্ষে ভালো খেলবো। সফল হয়েছি বলে খুব খুশি লাগছে।’

    প্রথম শ্রেণি, ৫০ ওভার বা টি-টোয়েন্টি, সব ফরম্যাটেই জাকিরের মন্ত্র একটাই, উপভোগ করা। জাকির অবশ্য সিলেটের সঙ্গে ম্যাচে উপভোগই করলেন। 
     

     

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন