• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    কোচ ও মেন্টরের কাজ প্রায় একই : ওয়াকার

    খন্ডকালিন কোচ বা মেন্টর বা পরামর্শক, যে নামেই ডাকুন, আধুনিক ক্রিকেটে নতুন নয়। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে তো যেন অপরিহার্য অনুষঙ্গ। ক্রিকেটের কিংবদন্তিদেরও তাই অনায়াসেই দেখা যায় এখন ডাগ-আউটের পাশে বসে থাকতে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বিপিএলে সিলেট সিক্সারসের ডাগ-আউটে যেমন দেখা যাচ্ছে সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক ওয়াকার ইউনুসকে। 

    ওয়াকারের জন্য এ কাজটা অবশ্য নতুন নয়। পাকিস্তান জাতীয় দলের প্রধান কোচও তো ছিলেন একসময়। সিলেটের জন্য অবশ্য তিনি একজন মেন্টর হিসেবেই কাজ করছেন।  

    ‘আমি আসলে তরুণদের সাহায্য করতেই এখানে এসেছি। আমার কাজটি প্রতিদিনের নয় বরং অনুশীলনে। উঠতি তরুণ যাদের সহযোগিতার প্রয়োজন তাদেরকে সাহায্য করি। পাশাপাশি টিম ম্যানেজমেন্টকেও (পরামর্শ দিই)’, ওয়াকার বলছেন নিজের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে। 

    ‘মেন্টর এবং কোচিং আসলে অনেকটাই এক। আমরা ফারুক (আহমেদ) ভাইয়ের মতো বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ মানুষ পেয়েছি। একসঙ্গে বসে আমাদের ভাবনগুলো একত্র করে তা অনুশীলন ও ম্যাচে প্রয়োগের চেষ্টা করি আমরা।’ 

    এর আগে বিপিএলে সিলেটের দল খেললেও এবারের ফ্র্যাঞ্চাইজিটা নতুন। এরকম টি-টোয়েন্টি লিগে খেলতে গেলেও অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির প্রয়োজন আছে বলে বলছেন ‘টু ডব্লিউজ’ এর একজন, ‘এটা ভুলে গেলে চলবে না, এটা সিলেটের প্রথম আসর। ওদের পর্যাপ্ত সহযোগিতার প্রয়োজন। যদি আমি কোনো কাজে আসতে পারি, সেটা উভয় পক্ষের জন্যই ভালো।’

    পেসার হিসেবে ৭৮৯টি আন্তর্জাতিক উইকেটের মালিক ওয়াকার, স্বাভাবিকভাবেই পেস বোলারদের নিয়ে কাজ করবেন বলেই ধারণা। তবে ওয়াকার কাজ করছেন ব্যাটসম্যানদের সঙ্গেও, ‘আমি ফাস্ট বোলার ও ব্যাটসম্যান, সবার জন্যই কাজ করতে চেষ্টা করছি। এর আগেও আমি এই কাজের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। কখন কী করতে হবে সেটা আমি ভালো করেই জানি। পাশাপাশি এটাও জানি, বিপিএলের মত লিগগুলোতে আমার এমন প্রচেষ্টা কতটা ফলপ্রসু হয়।’ 

    আবুল হাসান রাজু, টিম ব্রেসনান, লিয়াম প্লাঙ্কেটদের নিয়ে গড়া বোলিং আক্রমণকে অভিজ্ঞই মানছেন ওয়াকার। সিলেটের মাঠে চার ম্যাচে তিন জয় পেলেও ঢাকায় এসে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি নাসির হোসেনের দল। অবশ্য রংপুর রাইডার্সের সঙ্গে নিজেদের পরের ম্যাচেই সিলেট ‘ভয়ঙ্কর রুপে’ দেখা দেবে বলে আশা করছেন ওয়াকার। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন