• ইংল্যান্ডের শ্রীলঙ্কা সফর ২০১৮
  • " />

     

    ব্যাটেই 'জবাব' দিচ্ছেন ম্যাথিউস

     

    ‘ফিট নন, দৌড়াতেও পারেন না’, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে ওয়ানডে দল থেকে বাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে এটাই বলা হয়েছিল। গত দুই বছরে বারবার দল থেকে বার পড়তে হয়েছে ম্যথিউসকে, হারিয়েছেন অধিনায়কত্বও। তবে তিনি যে ফুরিয়ে যাননি, সেটার প্রমাণ দিয়েছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে সিরিজেই। দ্বিতীয় ম্যাচে তাঁর ৮৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসেই জয়ের আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল শ্রীলংকা। ‘অভিমানী’ ম্যাথিউস বলছেন, তাঁর ব্যাটই সবকিছু জবাব দিচ্ছে।

    গত বছরের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ব্যর্থতার পর নিজেই অধিনায়কের দায়িত্ব ছেড়েছিলেন। এরপর আবার অধিনায়কের দায়িত্ব পেলেও তাকে বেশিদিন সেই পদে রাখা হয়নি। এশিয়া কাপের পর দল থেকেও বাদ পড়েছিলেন। কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে যে তাকে দলে চাইছেন না, সেটা তখন স্পষ্টই ছিল। দলের সাথে মানিয়ে নেওয়ার মতো ফিটনেস নেই ম্যাথিউসে, নির্বাচক ও কোচের মন্তব্য ছিল এমনটাই। ওয়ানডেতে বাদ পড়লেও টেস্ট দলে ঠিকই জায়গা করে নিয়েছেন ম্যাথিউস।

    পাল্লেকেলেতে ফিফটি করার পর ব্যাট উঁচিয়ে ইশারা করেছিলে ম্যাথিউস। হয়ত হাথুরুকে ইঙ্গিত করেই এমনটা করা। গলের প্রথম টেস্টে ফিফটি করেও একই কাজ করেছিলেন। ম্যাথিউস বলছেন, তাঁর ফিটনেসের ব্যাপারে যা বলা হয়েছে, সেটা নিয়ে এখন অসন্তুষ্ট তিনি, ‘আমার ব্যাপারে যা বলা হয়েছিল, সেটা নিয়ে সবাই ভাবছে। প্রথম টেস্টের পর আমার প্রশংসাও করা হয়েছে শুনলাম! কিন্তু আমি তো এই সিরিজে নতুন কিছু করিনি। গত দশ বছর ধরে তো একইভাবে অনুশীলন করে আসছি। আমার কী করতে হবে, সেটা আমি ভালমতোই জানি। অন্য কোনদিকে আমার মনোযোগ ছিল না খেলার বাইরে। যখনই সুযোগ পাই, দলের হয়ে রান করতে চেয়েছি।’

    ওয়ানডে দলে ফিরে বিশ্বকাপ খেলা হবে কিনা, সেটা জানেন না ম্যাথিউস। তবে তাঁর পরিসংখ্যানই বুঝিয়ে দেবে তিনি দলে থাকার যোগ্য কিনা, বলছেন ম্যাথিউস, ‘রান করা ছাড়া আমি কিছু ভাবিনা। অন্যরা কী বলছে সেটা নিয়েও না। আমি যদি নিজের কাছে সৎ থাকি, সেটাই আসল ব্যাপার। আমার পরিসংখ্যানই আমার হয়ে কথা বলবে। তারা আমাদে দল থেকে বাদ দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটা আমি হতাশ। কিন্তু এখানে আসলে কিছু করার নেই।’

    টেস্টে ব্যাট হাতে ভালো পারফর্ম করে ওয়ানডে দলে ফেরার আশাটা কি পূর্ণ হবে ম্যাথিউসের? নাকি শেষ বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নটা স্বপ্নই থেকে যাবে?