• উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    • উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ

    'ক্রুইফ অ্যারেনাতে এটাই আয়াক্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ'

    শেষবার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে যখন খেলেছিল আয়াক্স, এই দলটার অধিনায়কের মতো অনেকের তখন জন্মই হয়নি। দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবার ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে আয়াক্স। টটেনহামের মাঠে ১-০ গোলে জেতা আয়াক্সকে ঘরের মাঠে ড্র করলেই চলবে। কোচ এরিক টেন হাগ বলছেন, এটা আয়াক্সের বর্তমান স্টেডিয়াম ইয়োহান ক্রুইফ অ্যারেনার ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।

    ১৯৯৬ সালে এই স্টেডিয়ামের উদ্বোধনের পর ইউরোপে আয়াক্সের সাফল্য আসেনি। এই মৌসুমে অবিশ্বাস্য ফুটবল খেলা আয়াক্স বিদায় করেছে রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের মতো দলকে। বাছাইপর্বসহ সব মিলিয়ে ১৭টি ম্যাচের মাঝে হেরেছে মাত্র একটিতে। প্রায় দুই যুগ পর ফাইনাল খেলার খুব কাছে পৌঁছে গেছে আয়াক্স। আজ নিজেদের মাঠে টটেনহামের বিপক্ষে তারা খেলতে নামবে মহামূল্যবান একটি অ্যাওয়ে গোলের লিড নিয়েই।

    টেন হাগের মতে, খুব অল্প মানুষই ধারণা করেছিলেন আয়াক্স এমন সাফল্য পাবে, ‘সবাই এই ম্যাচের গুরুত্বটা জানে। ক্রুইফ অ্যারেনার ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর চেয়ে বড় অনুপ্রেরণার বোধহয় আর দরকার নেই! চ্যাম্পিয়নস লিগে আমরা এতদূর আসতে পারব, সেটা খুব কম মানুষই ভেবেছিল। ক্রুইফ, ফন গাল ও পরিচালক ওভেরমার্স আমাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন। তাদের সেই স্বপ্নটা পূরণ করার দায়িত্ব আমাদের।’

    আগের দুই রাউন্ডে রিয়াল ও জুভেন্টাসের মাঠে জাদুকরী পারফরম্যান্সের সুবাদেই অবিশ্বাস্য জয় পেয়েছিল আয়াক্স। এবার ঘরের মাঠের দর্শকের সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ আছে তাদের। নিজেদের মাঠে কি একটু নার্ভাস হয়ে পড়বে আয়াক্স? ডিফেন্ডার ড্যালে ব্লিন্ড অবশ্য এমন কিছুর আশংকা করছেন না, ‘আমি নার্ভাস না। তবে এরকম ম্যাচের সময় একটু চাপে থাকাটা ভালো। এই মৌসুমে আমরা দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছি। দলের সবাই ভালো খেলেছে। এমন দলে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। আশা করছি ঘরের মাঠের দর্শককে হতাশ করব না।’

     

     

    ঘরের মাঠে শেষ তিন ম্যাচে অবশ্য জয় পায়নি আয়াক্স। রিয়ালের কাছে হেরেছিল তারা, জুভেন্টাস ও বায়ার্ন মিউনিখের সাথে করেছিল ড্র। ক্রুইফ অ্যারেনাতে আজকে নিশ্চয়ই জয় দিয়েই ফাইনালে যেতে চাইবে আয়াক্স।