• উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    • উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ

    ডাগআউট মিস করছেন আবেগী মরিনহো

    গত বছর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যানেজার হিসেবে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর থেকে আর ফুটবলে ফেরা হয়নি তার। সময় কাটিয়েছেন বিইন স্পোর্টসে ফুটবল পণ্ডিত হিসেবে, ২০১৯-২০ মৌসুমে থাকছেন স্কাই স্পোর্টসের হয়ে। ফুটবলের সাথে জড়িত থাকলেও ডাগআউটে ম্যানেজার হিসেবে থাকাটা ভীষণ মিস করেন হোসে মরিনহো। গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আবেগাপ্লুত মরিনহো জানিয়েছেন; শীঘ্রই ফুটবলে ফিরতে চান তিনি।

    নতুন মৌসুমের আগে নিজ শহর সেতুবালই ইতালিয়ান সংবাদপত্রকে সাথে কথা বলেছেন তিনি, 'প্রথমবার পেশাদারি ফুটবলে এসেই চমকটা অনুভব করেছিলাম। এরপর থেকে ফুটবলই আমার পেশা, নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কোনও বিরতির অবকাশ ছিল না। এরকম ব্যস্ত জীবন হঠাৎ করেই থেমে গেলে অনেকেই হয়তো অবসর সময়টা উপভোগ করত। কিন্তু আমি অবসর উপভোগের চেয়ে ফুটবলকে মিস করছি অনেক বেশী।'

     

     

    প্রায় এক বছর সরাসরি ফুটবল থেকে বিরত থাকার পর নতুন ক্লাবের খোঁজে আছেন মরিনহো। প্রস্তুতিও নিচ্ছে সে অনুযায়ী, 'ফুটবল আমার জীবন। অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব ফিরতে চাই। এখন জার্মান শিখছি; ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ, ইতালিয়ান আগে থেকেই পারি। ভাষাগত বাধা যেন কোথাও আমাকে আটকাতে না পারে, সেজন্যই জার্মান শেখা।' 

    বার্সেলোনার সাবেক ম্যানেজার স্যার ববি রবসনের সময়ে নব্বইয়ের দশকে বার্সেলোনার অনুবাদক এবং যুবদলের কোচ হিসেবে ফুটবলে হাতেখড়ি হয়েছিল মরিনহোর। এরপর ২০০০ সালে প্রথম ম্যানেজার হয়েছিলেন স্বদেশি ক্লাব বেনফিকার। ২০০৩ সালে পোর্তোর হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে এসেছিলেন পাদপ্রদীপের আলোয়। এরপর চেলসি, রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যানেজার ছিলেন। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের চারটিতেই লিগ জিতেছেন তিনি, চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন দু'বার। ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম নতুন মৌসুম শুরু হলেও কোনও ক্লাবের দায়িত্বে নেই মরিনহো।