• উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    'শিষ্য' রোনালদোকে অভিনন্দন জানালেন 'পিতৃসুলভ' ফার্গুসন

    ২০১৬ সালে ইউরোর পর এই বছর পর্তুগালকে জিতিয়েছেন ইউয়েফা নেশনস লিগ। পুরস্কারস্বরূপ ক্যারিয়ারে দশমবারের মত পর্তুগিজ ফুটবলের বর্ষসেরা হয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ‘সিআর৭’-এর উত্থানের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদানটা খুব সম্ভবত তারই। রোনালদোর তরুণ প্রতিভা থেকে সর্বকালের সেরাদের একজন হওয়ার যাত্রাটা খুব কাছ থেকেই দেখেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক ম্যানেজার স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন। সাবেক শিষ্যের সাফল্যের দিনে তাকে অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি স্কটিশ ম্যানেজার। রোনালদোর সাথে কাজ করতে পারায় নিজেকে সৌভাগ্যবানও মনে করছেন ফার্গুসন।

     

     

    ‘ফার্গি’ বলেছেন, ‘পর্তুগালের হয়ে দারুণ এক অর্জনে তোমাকে অভিনন্দন। আশা করি পর্তুগালে দারুণ এক রাত কাটাবে তুমি। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত তোমার সাথে থাকতে পারছি না। আমার এখনও মনে পড়ে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে এসেছিলে তুমি।'

     

    তরুণ রোনালদোকে এতদূর আসতে দেখে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত ফার্গুসন, 'একজন মানুষ এবং ফুটবলার হিসেবে নিজেকে নিয়ে গেছ অনন্য উচ্চতায়। আমি তোমাকে, তোমার মা, তোমার পরিবার, এবং তোমার সন্তানদেরও অভিনন্দন জানাতে চাই। তোমার পরিবারকেও অভিনন্দন জানাতে চাই আমি। তোমার সাথে পরিচিত হওয়া এবং কাজ করতে পারা আমার জন্য দারুণ গর্বের। শুভকামনা রইল তোমার জন্য, দারুণ এক রাত কাটাও। তোমাকে অভিনন্দন জানাই আবারও।’

    ২০০৩ সালে স্পোর্টিং লিসবনের হয়ে ইউনাইটেডের বিপক্ষে প্রাক-মৌসুমের এক ম্যাচে নজর কেড়েছিলেন রোনালদো। ঐ ম্যাচের পরই তাকে ওল্ড ট্রাফোর্ডে নিয়ে আসেন ফার্গুসন। ইউনাইটেডের জার্সিতে রীতিমত অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান নিজেকে। ২৯২ ম্যাচে করেছিলেন ১১৮ গোল, ২০০৮ সালে ইউনাইটেডের হয়েই জিতেছিলেন প্রথম ব্যালন ডি'অর।