• উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ
  • " />

     

    ফুটবল খেলতে গিয়ে কাফু পুত্রের মৃত্যু

    সাও পাওলোতে নিজেদের বাড়িতেই বন্ধু-বান্ধবের সাথে ফুটবল খেলছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তী রাইটব্যাক কাফুর ছেলে দানিলো ফেলিসিয়ানো দে মোরায়েস। হঠাৎ করেই বুকে হাত দিয়ে মাঠে বসে পরেন দানিলো, তাৎক্ষণিক তাকে নেওয়া হয় বাড়ির কাছের অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি আর, সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩০-বছর বয়সী দানিলো।

     

     

    আকস্মিক এই মৃত্যুতে কাফুর পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলো। দানিলোর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই টুইটারে কাফুকে সমবেদনা জানিয়েছে তার সাবেক দুই ক্লাব এএস রোমা, এসি মিলান। টুইটারে কাফুকে সান্ত্বনা জানিয়েছে ইন্টার মিলান এবং রিয়াল মাদ্রিদও। এসি মিলান জানিয়েছে, 'আমাদের কাফু তার ছেলে দানিলোকে হারিয়েছে। তার অকাল মৃত্যুতে কাফু পরিবারের জন্য রইল আন্তরিক সমবেদনা।' একই কথা লিখেছে ইন্টার, 'কাফুর ছেলে দানিলোর মৃত্যুতে ইন্টারের সবাই গভীরভাবে দুঃখিত। কঠিন এই সময়ে কাফু পরিবারের জন্য থাকল সমবেদনা এবং ভালবাসা।'

    দুঃসময়ে কাফুর দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়ার কথা জানিয়েছে রিয়াল, 'কাফুর ছেলে দানিলোর আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা সবাই গভীরভাবে শোকাহত। কাফুর জন্য রইল সমবেদনা। কাফু পরিবারের কঠিন সময়ে আমরা তাদের দুঃখ ভাগাভাগি করে নিচ্ছি।'

     

     

    সিরি আ-তে কাফুর সাবেক ক্লাব রোমা জানিয়েছে, 'ক্লাবের সবার পক্ষ থেকে কাফুর জন্য রইল গভীর সমবেদনা। আমাদের প্রার্থনা রইল কাফু পরিবারের জন্য।' রোমার হয়ে একই সাথে খেলেছিলেন কাফু এবং ইতালিয়ান কিংবদন্তী ফ্রান্সেস্কো টট্টি। বন্ধুর এমন দুঃসময়ে টুইটারে সমবেদনা জানিয়েছেন রোমার সাবেক অধিনায়কও, 'আমি দানিলোকে নিজ চোখে বড় হতে দেখেছি। এটা সম্ভব নয় কোনওভাবেই। বন্ধু, তোমার জন্য থাকল সমবেদনা। দানিলোর বিদেহী আত্মা শান্তি পাক।'

    ব্রাজিলের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা কাফু (১৪২) বিশ্বকাপ জিতেছেন দু'বার৷ ১৯৯৭ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত খেলেছেন রোমায়। এর পরের বছর পাঁচেক কাটিয়েছিলেন এসি মিলানে। ২০০২ সালে তার অধিনায়কত্বেই পঞ্চম বিশ্বকাপ জিতেছিল 'সেলেসাও'রা।