• বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের ধর্মঘট
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    পদত্যাগ করবেন না দুর্জয়-সুজনরা

    ১১ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে যাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের প্রথম দাবি- ‘ক্রিকেটারদের পক্ষে না থাকা কোয়াব এর প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারির পদত্যাগ’-এর দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে সংস্থাটি। ক্রিকেটারদের প্রতিনিধি ও বোর্ডে পদ থাকার কারণে যে ‘কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট’, সেটিতে ‘ক্রিকেটারদেরই স্বার্থ রক্ষা হয়’ বলে মনে করেন তারা। 

    সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট নাইমুর রহমান দুর্জয় বলেছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমেই দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে কোয়াবের। ক্রিকেটারদের স্বার্থ দেখা হয় না, এমন দাবিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে দুর্জয় বলেছেন, “এক সময় প্রথম শ্রেণিতে বেতন কাঠামো ছিল না, ম্যাচ ফি কতো ছিল জানেন আপনারা। সবকিছুই বেড়েছে। এগুলো বলারও সুযোগ ছিল না একসময়। আমরা বোর্ডে ঢুকতেই পারিনি। বারান্দা পর্যন্তই প্রবেশাধিকার ছিল আমাদের। এখন এগুলো বলতে পারি আমরা।” 

    একই সুর ভাইস-প্রেসিডেন্ট খালেদ মাহমুদ সুজনেরও, “আমি-দুর্জয় বোর্ডে থাকার কারণে ক্রিকেটারদের দাবিগুলি উত্থাপন করতে পারি। আমরা যখন এলিফ্যান্ট রোডে একটা দোকানে শুরু করি কোয়াব, তখন কেউ আসেনি।” 

    “ওরা (বর্তমান ক্রিকেটাররা) তখনই আসে, যখন তাদের সমস্যা হয়। কিন্তু কেউ দায়িত্ব নিতে চায় না। ‘কনফ্লিকট অফ ইন্টারেস্ট’ থাকতে পারে, তবে আমরা না থাকলে কেউ লড়াই করতে পারত না। আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে। তবে আমরা ক্রিকেটারদের হয়ে লড়াই করতে পারি।" 

    আর বিভিন্ন সময়ে রুবেল হোসেন, শাহাদাত হোসেন, মোশাররফ হোসেন রুবেলকে সহায়তার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে। তবে বোর্ডের মতো ক্রিকেটারদের আন্দোলনে তাদের অবস্থানের ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেনি কোয়াবও, “আমরা চাই, খেলাটা মাঠে হোক। কয়েকজনের জন্য দরকষাকষির জন্য বাকিদের ক্ষতি হোক, আমরা সেটা চাই না। এখানে সবারই কিন্তু এক লাখ টাকার ব্যাপার না, কারও কারও কাছে ৩০ হাজারও অনেক। তাদের জন্য বৃহত্তর স্বার্থ দেখতে হবে।” বলেছেন দুর্জয়।

    “বোর্ড কিন্তু বলেছে। তাদেরকে আমরা ফোনে পাচ্ছি না। ফোন ব্যাকও করে না। শিগগরই আপনার পরিস্কার হবেন, কারা সম্পৃক্ত আছে।” 

    এদিকে কোয়াবের প্রতিনিধিদের বোর্ডে পদ ধারণ ও ‘এমন সময়ে ক্রিকেটারদের জন্য এগিয়ে না আসায়’ উদ্বেগ জানিয়েছে ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ফিকা। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন