• চলে গেলেন কোবি ব্রায়ান্ট
  • " />

     

    হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে মারা গেলেন বাস্কেটবল কিংবদন্তী কোবি ব্রায়ান্ট


    হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে মারা গেছেন বাস্কেটবল কিংবদন্তী কোবি ব্রায়ান্ট। ক্যালিফোর্নিয়ার কালাবাসাসে লস অ্যাঞ্জেলেস লেকারসের সাবেক এই তারকার ব্যক্তিগত হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ব্রায়ান্টসহ থাকা অন্তত আরও চারজন যাত্রীই মারা গেছেন বলে রিপোর্ট করেছে টিএমজেড। ক্যালাবাসাসের পার্বত্য অঞ্চলে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে অন্যান্য কিছু সংবাদমাধ্যমও। সিএনএন পরে বলেছে, ব্রায়ান্টের সঙ্গে হেলিকপ্টারে ছিলেন তার ১৩ বছর বয়সী মেয়ে জিয়ানাও।  

    স্থানীয় সময় রবিবার সকালে এই দূর্ঘটনা ঘটেছে। উদ্ধারকর্মীরা সাড়া দিলেও হেলিকপ্টারে থাকা কাউকে বাঁচানো যায়নি বলে বলছে টিএমজেড। ঠিক কী কারণে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সেটি নিয়ে চলছে তদন্ত।  

    লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস বলছে, উড়োজাহাজটি কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় বিধ্বস্ত হয়েছে, সঙ্গে সেখানে থাকা জঙ্গলে আগুনও ধরে গেছে। উদ্ধারকর্মীদের তাই ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হয়েছে খানিকটা। 

    “আমরা সকাল ১০টার দিক কল পাই, মালিবু অঞ্চলে, ক্যালাবাসাসে মূলত, একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। কয়েকজন পাহাড়ে বাইকিং করছিল, তারাই দূর্ঘটনাটি দেখে পাহাড়ের পাশে গেছে। এটি ছিল একটি হেলিকপ্টার, নিশ্চিত করা হয়েছে, এটি ছিল এস-৭৬ সিকোরস্কি হেলিকপ্টার। দূর্ভাগ্যজনকভাবে, কাউকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি”, বলেছেন লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি ফায়ার ডিপার্টমেন্টের টনি ইমব্রেন্ডা।

    এই হেলিকপ্টারটি লেকারসে খেলার সময় থেকেই ব্যবহার করতেন ব্রায়ান্ট।

    ব্রায়ান্টকে এনবিএর সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। লেকারসের হয়ে ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ১৮ বার অলস্টার টিমে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি, ৫ বার জিতেছেন এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপ। দুইবার ফাইনালের এমভিপি ছিলেন তিনি, ২০০৮ সালে ছিলেন লিগের এমভিপি। ২০১৬ সালে অবসরের পর তার দুটি জার্সি- ৮ ও ২৪ নম্বর- প্রত্যাহার করে নিয়েছে লেকারস। ইতিহাসে এমন সম্মান পাননি আর কোনও বাস্কেটবল খেলোয়াড়। 

    ২০০৮ ও ২০১২ অলিম্পিকে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে অলিম্পিকে সোনাও জিতেছিলেন তিনি। 

    স্ত্রী ভ্যানিসা ও চার মেয়ে ছিলেন ব্রায়ান্টের- জিয়ানা, নাটালিয়া, বিয়ানসা এবং ২০১৯ সালে জন্ম নেওয়া ক্যাপরি। 

    ২০১৮ সালে ‘ডিয়ার বাস্কেটবল’ নামে একটি অ্যানিমেটেড শর্টফিল্মের জন্য একাডেমি পুরষ্কার (অস্কার) জিতেছিলেন তিনি।