• অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ২০২০
  • " />

     

    ম্যাচ শেষের সেই ঘটনার পর বড় শাস্তি পেলেন বাংলাদেশের হৃদয়, শামীম, রাকিবুল

    অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ শেষে অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য বড় শাস্তি পেয়েছেন বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার- তৌহিদ হৃদয়, রাকিবুল হাসান ও শামীম হোসেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শাস্তি পেতে হয়েছে হৃদয়কে। শাস্তি পেয়েছেন ভারতের দুই ক্রিকেটার রবি বিষ্ণয় ও আকাশ সিংও।

    অ-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ শেষে উদযাপনের জন্য মাঠে ঢুকে পড়েছিলেন বাংলাদেশের যুবারা। ওই সময় ভারতের ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি থেকে ধাক্কাধাক্কি, এমনকি মৃদু হাতাহাতিও হয়েছে। যার কিছু ধরা পড়েছে টিভি ক্যামেরায়। ম্যাচ শেষেই আইসিসি বলেছিল, এই ঘটনা নিয়ে তারা তদন্ত করছে। শেষ পর্যন্ত বেশ কড়া শাস্তিই দিল আইসিসি।

    হৃদয়ের সাজাই বেশি হয়েছে, ১০টি সাসপেনশন পয়েন্ট (যেটি ছয়টি ডিমেরিট পয়েন্টের সমান) পেতে হয়েছে তাকে। দুই বছরের জন্য এটি তার রেকর্ডে থাকবে। শামীমও হৃদয়ের মতো লেভেল ২.২১ (মাঠে অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ) ভঙ্গের কারণে আটটি সাসপেনশন পয়েন্ট পেয়েছেন। রাকিবুল একটু কম শাস্তি পেয়েছেন। তাকে চারটি সাসপেনশন পয়েন্ট পেতে হয়েছে। প্রত্যেকেই তাদের শাস্তি মেনে নিয়েছেন। একটি সাসপেনশন পয়েন্ট মানে একটি ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি বা এ দলের হয়ে যে কোনো ম্যাচে নিষেধাজ্ঞা।

    টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়া ভারতের স্পিনার বিষ্ণয়ও পেয়েছেন বড় শাস্তি। বিষ্ণয় শুধু ম্যাচ শেষের ওই ঘটনার জন্য নয়, তার আগে বল করার সময় মাত্রাতিরিক্ত আবেদন করার জন্য সব মিলে দশটি সাসপেনশন পয়েন্ট পেয়েছেন। আর শামীমের মতো আকাশও পেয়েছেন একই শাস্তি, আটটি সাসপেনশন পয়েন্ট।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন