• ক্রিকেটে করোনাভাইরাস
  • " />

     

    ইংল্যান্ডের অনুশীলনে ৫৫ জন, নেই হেলস-প্লাঙ্কেট

    ইংলিশ গ্রীষ্মে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরানোর লক্ষ্যে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ১৪ জনসহ ৫৫ জন ক্রিকেটারকে অনুশীলনে ডেকেছে ইসিবি। সেখানে জায়গা পাননি অ্যালেক্স হেলস, লিয়াম প্লাঙ্কেটরা। ইংল্যান্ড রাডারের বাইরেই তাই আপাতত থেকে গেলেন তারা। 

    ‘যুক্তরাজ্য সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে দর্শকশূন্য মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করতে’ প্রস্তুতি শুরু করছে ইংল্যান্ড। কভিড-১৯ মহামারির পর ক্রিকেটে ফিরতে সংশ্লিষ্ট কাউন্টিগুলির সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে ইসিবি। 

    গত বিশ্বকাপের আগে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার পর স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছিলেন ওপেনার হেলস। এর আগে ইংল্যান্ডের সীমিত ওভারের অধিনায়ক অইন মরগান বলেছিলেন, ফেরার জন্য হেলসের আরও কিছু সময় লাগতে পারে। বিশ্বকাপের কয়েক মাস পর কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েছিলেন পেসার প্লাঙ্কেট। এরা ছাড়াও জায়গা পাননি জো ক্লার্ক, ধর্ষণের অভিযোগ থাকা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার অ্যালেক্স হেপবার্নের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। 

    তারা সুযোগ না পেলেও বেশ কিছুদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা ডেভিড উইলি, বেন ডাকেট, স্যাম বিলিংস, রিস টপলি, মেসন ক্রেনদের অনুশীলনে যোগ দিতে বলা হয়েছে। ডাক পেয়েছেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ইংল্যান্ড লায়নসের হয়ে উজ্জ্বল জেমস ব্রেসি, ব্রাইডন কার্স, উইল জ্যাকস, টম কোলার-ক্যাডমোর, ড্যান লরেন্স। এছাড়াও গত সপ্তাহে ১৮ জন বোলার অনুশীলনে ফিরেছিলেন নিজ নিজ কাউন্টিতে আলাদা করে। 
     


    ১৮ জন বোলারকে আলাদাভাবে অনুশীলনে ফিরিয়েছে ইংল্যান্ড আগেই, ক্রিস ওকস সেই অনুশীলনেই/ইসিবি


    মূলত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে এই বিশাল গ্রুপকে অনুশীলনে ডেকেছে ইসিবি। তাদের অনুশীলনে ফেরাকে ইতিবাচক দিক বলে মনে করছে ইসিবি। 

    ইসিবির পারফরম্যান্স ডিরেক্টর মো বোবাট বলেছেন, “ক্রিকেটারদের অনুশীলনে ফিরতে দেখাটা আনন্দের। এতদূর আসতে আমাদের বেশ কিছু কাজ করতে হয়েছে। ফরম্যাট অনুযায়ী দল নির্বাচন করতে নির্বাচকদের অনেক অপশন দেবে এই গ্রুপের ক্রিকেটাররা। এই গ্রীষ্মে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে আমরা আরেকটু এগিয়ে গেলাম।” 

    “আমাদের মেডিকেল বিশেষজ্ঞের দল এবং সরকারের সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে, যেহেতু অনুশীলনে ফেরা এবং খেলার ব্যাপারগুলি গাইডলাইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। কাউন্টির সহকর্মীদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, যারা কোচিং এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে ক্রিকেটারদের সহায়তা করছেন। চাইলেই আমরা আমাদের নেটওয়ার্কের সহায়তা পাই, এটিই আমাদের সিস্টেমের দৃঢ়তা বুঝাতে সক্ষম।”  

    গত মার্চে শ্রীলঙ্কা সফর স্থগিত রেখে দেশে ফিরে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। ঘরোয়া মৌসুম শুরুও পিছিয়ে গেছে তাদের কভিড-১৯ মহামারিতে। আপাতত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনাই লক্ষ্য ইসিবির। ১ আগস্টের আগে সে দেশে কোনও ঘরোয়া পেশাদার ক্রিকেট হবে না বলে জানানো হয়েছে।

    এদিকে, ১৭ জুন দিয়ে আবারও মাঠে ফেরার ঘোষণা দিয়েছে প্রিমিয়ার লিগ। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন