• পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফর ২০২০
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    আঁধারের মাঝে পাকিস্তানকে আলো দেখালেন রিজওয়ান

    ২য় টেস্ট, সাউদাম্পটন 
    ২য় দিন, স্টাম্পস
    পাকিস্তান ১ম ইনিংস ২২৩/৯ (রিজওয়ান ৬০*, আবিদ ৬০, বাবর ৪৭, অ্যান্ডারসন ৩/৪৮, ব্রড ৩/৫৬) 


    সাউদাম্পটনে ক্রিকেটের সেই চিরায়ত লড়াই (নাকি পথচলা) চললো বৃষ্টি আর আলোকস্বল্পতার সঙ্গে। আর মোহাম্মদ রিজওয়ান লড়াই করলেন ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে। ৪০.২ ওভার খেলা হতে পারলো দ্বিতীয় দিনে, আরও ৪টি উইকেট নিলেও রিজওয়ানকেও টলাতে পারলো না ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিনশেষে ১ উইকেট বাকি রেখে ২২৩ রান তুলেছে পাকিস্তান, হয়তো রিজওয়ানের ইনিংস চ্যালেঞ্জিং কন্ডিশনে বেশ একটা অবস্থানেই নিয়ে গেছে তাদের। 

    প্রথম দিনের মতো এদিনও  ছিল বৃষ্টির হানা। প্রথম সেশনে খেলা শুরু হয়েছিল প্রায় দেড় ঘন্টা পর, এরপর লাঞ্চের আগে বাবর আজম ও রিজওয়ানের জুটি ছিল অবিচ্ছিন্ন, উঠেছিল ২৯ রান। বাবর পায়ের ওপরের বলকে ছাড়েননি, তবে শেষ পর্যন্ত ফিফটি পাওয়া হয়নি তার। লাঞ্চের পর স্টুয়ার্ট ব্রডের কাছে হার মানতে হয়েছে তার। অ্যাঙ্গেল্ড-ইন ডেলিভারিতে স্কয়ারড আপ হয়ে এজড হয়ে কট-বিহাইন্ড হয়েছেন তিনি ৪৭ রান করে। এর আগে রিজওয়ানের সঙ্গে তার জুটি টিকেছে ২ দিন মিলিয়ে ২০ ওভার। 

    ইয়াসির শাহ নেমে ব্রডকে দারুণ এক ড্রাইভে চার মেরেছিলেন, তবে অ্যান্ডারসনের ঘূর্ণি বলে সেটি করতে গিয়েই বিপদ ডেকে এনেছেন। টেইল-এন্ডে শাহিন শাহ আফ্রিদি ৬ ওভারের মতো সঙ্গ দিয়েছেন রিজওয়ানকে। সিঙ্গেল নিতে গিয়ে রান-আউট হয়েছেন তিনি স্লিপ থেকে সরাসরি থ্রো-তে নন-স্ট্রাইক প্রান্তের স্টাম্প ডম সিবলি ভাঙায়। আফ্রিদি অবশ্য শুরুতেই এজড হয়েছিলেন, তবে প্রথম স্লিপে ক্যাচটা ঠিকঠাক হয়েছে কিনা তা নিয়ে রুট নিশ্চিত ছিলেন না, অন-ফিল্ডে সফট সিগন্যাল আউট হলেও ওভাররুল করেছেন সেটি টিভি আম্পায়ার। 

    এরপর আরেকদফা আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হয়েছে খেলা। চা-বিরতিও নেওয়া হয়েছিল আগেভাগেই। এর আগেই ফিফটি পূর্ণ করেছেন রিজওয়ান। মাইলফলকে যাওয়ার আগে থেকেই আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি, সফলও হয়েছেন। ফিফটির ডাবলস পূর্ণ করতে গিয়ে রান-আউটের সম্ভাবনা জেগেছিল, তবে পৌঁছে গেছেন আগেই। 

    আব্বাস ভালই দিয়েছেন রিজওয়ানকে। তার বিপক্ষে একটা ব্যর্থ রিভিউও করেছে ইংল্যান্ড। বিরতির পর আব্বাস ফিরেছেন অবশেষে, ব্রডের ফুললেংথের বল মিস করে এলবিডব্লিউ হয়ে। 

    চা-বিরতির পর খেলা হতে পেরেছে ৯ বল। এরপর আবারও লাইট-মিটারের দ্বারস্থ হয়েছেন আম্পায়ার, উঠে গেছেন তারা। সাউদাম্পটনে খেলা হয়নি আর। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন