• পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফর ২০২০
  • " />

     

    পাকিস্তান যেতে পারলে ভাল লাগবে রুটের

    পাকিস্তান যেতে পারলে ভাল লাগবে রুটের    

    ২০০৬ সাল থেকে ২০১৮-- ১২ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৬১টি ম্যাচ খেলেছিলেন অ্যালেস্টার কুক। তবে পাকিস্তানে খেলেননি একটিও। ২০১২ সালে অভিষেক করা জো রুটের খেলার প্রশ্নই আসে না তাই। এ সময়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে দেশের মাটির বাইরে তারা খেলেছেন আরব-আমিরাতে। কিন্তু পাকিস্তান সফরে যেতে পারলে ভাল লাগবে তার, এমন বলেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। অবশ্য সে সিদ্ধান্ত তার হাতে নেই, সেটি জানেনও তিনি। 

    ২০০৯ সালে লাহোর আক্রমণের পর থেকেই নির্বাসনে গিয়েছিল পাকিস্তান থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ম্যাচের পর গত বছর অবশেষে টেস্ট ক্রিকেট ফিরেছে সেখানে, খেলেছে শ্রীলঙ্কা। এরপর একটি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশও। 

    কোভিড-১৯ মহামারির মাঝে ইংল্যান্ড সফর করছে পাকিস্তান, তিন টেস্ট সিরিজের দুটি হয়েও গেছে। সফরে ৩টি টি-টোয়েন্টি খেলবে তারা। এফটিপি অনুযায়ী ২০২২ সালে পাকিস্তান সফর করার কথা ইংল্যান্ডের। পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফরের বিপরীতে ইংল্যান্ডকেও পাকিস্তানে আশা করে পিসিবি, এমন বলেছিলেন তাদের বোর্ডের প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম খান। টি-টোয়েন্টি দল কিংবা নিদেনপক্ষে ডেভলপমেন্ট স্কোয়াড হলেও পাকিস্তান পাঠাতে পারে ইংল্যান্ড, এমন বলেছিলেন তিনি আগেই। সম্প্রতি ওয়াসিম আকরাম বলেছেন, ইংল্যান্ডের একটা সফর ‘পাওনা’ পাকিস্তানের। তার আশা, ইংল্যান্ড গেলে স্টেডিয়াম-ঠাসা দর্শকও থাকবে। 

    রুট বলছেন, তার যেতে কোনও সমস্যা নেই, “আমার পাকিস্তান গেলে ভালই লাগবে। ব্যক্তিগতভাবে সেখানে খেলাটা একটা সুযোগ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ব্যক্তিগতভাবে সে সিদ্ধান্ত আমার হাতে নেই। তবে ক্রিকেট খেলার জন্য সে দেশটা অসাধারণই মনে হয়। উইকেট দারুণ, ফ্ল্যাট। আমরা এখানে যা খেলি, এর চেয়ে একটা ভাল বদল আসবে।” 

    দেশের মাটিতে ক্রিকেট খেলার পাকিস্তানিদের আবেগটাও বুঝতে পারেন রুট, “গত বছরের শেষদিকে যখন পাকিস্তানে টেস্ট ক্রিকেট ফিরল, তখন সবার আবেগটাই দেখার মতো ছিল। কয়েকজন ক্রিকেটার সঙ্গে কথা বলেও বুঝতে পেরেছি, তাদের কাছে এটা কতোটা অর্থ বহন করে। আমাদের এরই মাঝে বেশ ঠাসা সূচি আছে কোভিড-১৯ এর কারণে। তবে কীভাবে কী হবে, সেটা দেখতে পারা চমৎকার একটা ব্যাপার হতে পারে।” 

    এর আগে ইংল্যান্ড হেড কোচ ক্রিস সিলভারউডও বলেছিলেন, পাকিস্তান যেতে তার বাধা নেই।