• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    'ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর' হতে চান জামাল, জেমি ডে বলছেন বিদেশি লিগে খেলার সম্ভবনা তৈরি হলো

    কাজী সালাহউদ্দিন শুরুটা করেছিলেন হংকংয়ের ক্লাবে খেলতে গিয়ে। এরপর মোনেম মুন্না, শেখ মোহাম্মদ আসলাম, রম্মান বিন ওয়ালি সাব্বিরসহ আরও অনেকেই গিয়েছিলেন ভারতের ক্লাবে। সবশেষ ভারতের আইএসএলে স্বল্পদিনের চুক্তিতে খেলতে গিয়েছিলেন মামুনুল ইসলামও। কিন্তু এই শতাব্দীতে বাংলাদেশি ফুটবলারদের বিদেশি লিগে খেলতে যাওয়ার রীতিটা হারিয়েই যেতে বসেছিল। বহুদিন পর বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া সেই ধারায় ছেদ টেনে যোগ দিয়েছেন কলকাতা মোহামেডানে। যদিও ভারতের দ্বিতীয় স্তরের লিগে খেলবেন জামাল, তবে এটাকেই কাজে লাগাতে চান তিনি। আলাদা একটা দায়িত্বও অনুভব করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, তার মতে ভারতে তাকে হতে হবে দেশের ফুটবলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, তাহলে বাকিদের জন্যও সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে তাতে।

    "আমাকে অন্যদের জন্য ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরের ভূমিকা পালন করতে হবে।"- কলকাতা মোহামেডানে যোগ দেওয়া নিশ্চিত হওয়ার পর বলেছেন জামাল। "আমি যদি ভারতে ভালো করি তাহলে হয়ত ওরা অন্যদের ব্যাপারেও আগ্রহী হবে। জাতীয় দলে ভালো করলে আসলে আলো কাড়া সহজ হয়। আমিও জাতীয় দলে ভালো করার জন্যই চুক্তিটা পেয়েছি।"


    ভারতে এই মৌসুম থেকে শীর্ষস্তরের লিগ বলে গণ্য হবে আইএসএল (ইন্ডিয়ান সুপার লিগ)। এর আগ পর্যন্ত আই-লিগই ছিল ভারতরের সর্বোচ্চ স্তরের লিগ। আই লিগ জিতলে অবশ্য আইএসএলে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ থাকছে। জামাল বলছেন ভারতের আরও কয়েকটি ক্লাবও তার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল। তবে মোহামেডান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য লড়াই করতে চায় বলেই সেখানে যাচ্ছেন তিনি।

    "মোহামেডান একমাত্র অপশন ছিল না। ভারতের অন্য ক্লাবও আগ্রহ দেখিয়েছি। আমাকে প্রথম ওয়াসিম ভাই (ওয়াসিম আকমার, কলকাতা মোহামেডান সেক্রেটারি) জিজ্ঞেস করেছেন, আমি তাদের ক্লাবে চাই কি না। আমি তখন জানতে চেয়েছি, 'তোমরা কি চ্যাম্পিয়ন হতে চাও, না মাঝামাঝি  পজিশনে থাকতে চাও?' তখন তারা বলেছে তারা চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য লড়াই করতে চায়। আমি বলেছি, আমার লক্ষ্যও একই, তোমাদের  উচ্চাশা থাকলে আমি আসব। কিন্তু  লিগের তলানিতে থাকার মতো হলে আমার কোনো ইচ্ছাই নেই খেলার।"

    বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে জামালের ভারতগমনকে বলছেন, "দারুণ সুযোগ"। নেপালের বিপক্ষে দুইটি প্রীতি ম্যাচের জন্য বাংলাদেশ দলকে নিয়ে এখন অনুশীলনে ব্যস্ত ব্রিটিশ কোচ। এর ভেতর জামালের মোহামেডানে যোগ দেওয়ার খবরকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তিনি, "এটা অসাধারণ সুযোগ। আশা করি ও (জামাল) ভালো করবে। যদি ভালো করতে পারে তাহলে বাকিদের সম্ভাবনার দুয়ারও খুলবে। যদি বাকিদের জাতীয় দল ও ক্লাবে ভালো খেলেই যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।"

    বাংলাদেশ কোচ বলছেন এই মুহুর্তে ইউরোপের লিগে খেলার মতো অবস্থা না থাকলেও বাংলাদেশ ফুটবলারদের লক্ষ্য সেটিই হওয়া উচিত, "আমরা যদি দুই, একজনকে ইউরোপ পাঠাতে পারি তাহলে দারুণ হবে। যদিও এখন ইউরোপে পাঠানো কঠিন। কিন্তু এটাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।" 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন