• ইংল্যান্ডের ভারত সফর
  • " />

     

    বায়ো-সিকিউরড বলয়ের চাপ: দেশে ফিরছেন মইন, ক্রিকেট থেকে বিরতিতে ডি কক

    বায়ো-সিকিউরড বলয়ের চাপ: দেশে ফিরছেন মইন, ক্রিকেট থেকে বিরতিতে ডি কক    

    বায়ো-সিকিউর বলয়ে থাকবেন না বলে সিরিজের দুই টেস্ট বাকি থাকতে দেশে ফিরে যাচ্ছেন ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার মইন আলি। চেন্নাই টেস্টে বোলিং ও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডের সেরা পারফরমারকে তাই আহমেদাবাদে পাবে না ইংল্যান্ড। এদিকে চিকিৎসকের পরামর্শে মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভেবে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগে খেলছেন না দক্ষিণ আফ্রিকার সীমিত ওভারের অধিনায়ক কুইন্টন ডি কক। 

    কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে গত বছরের জুলাইয়ে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে শুরু হয়েছে বায়ো-সিকিউরড বলয়ের ব্যবস্থা, যেখানে সাধারণত হোটেল বা এর আশেপাশের মাঝেই আবদ্ধ থাকতে হয় ক্রিকেটারদের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোয়ারেন্টিন-আইসোলেশনের সময় একেক জায়গায় একেক রকম হলেও মোটামুটি দীর্ঘ সময় বলয়ের মধ্যে থাকতে হচ্ছে খেলোয়াড়দের, যেটি বেশ বড় একটা চ্যালেঞ্জ তাদের জন্য। 

    ভারত সফরে আসার আগে শ্রীলঙ্কা গিয়ে কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছিলেন মইন, সেখানে দুই ম্যাচের সিরিজে খেলতে পারেননি তিনি। চেন্নাইয়ে প্রথম টেস্টের দলে না থাকলেও দ্বিতীয় টেস্টে ফিরেছিলেন, এ ফরম্যাটে প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় পর ফিরেছিলেন তিনি। ম্যাচে ৮ উইকেট নেওয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন ১৮ বলে ৪৩ রান। 

    এমনিতেও সফরের কোনো না কোনো পর্যায়ে ক্রিকেটারদের বিরতি দেওয়ার কথা আছে ইংল্যান্ডের। মইনের ব্যাপারটা নিয়ে অধিনায়ক জো রুট বলেছেন, “এটা তার জন্য কঠিন একটা সফর, কোভিডের সঙ্গে লড়াই করা, নিজের ঘরে দীর্ঘদিন থাকা। এমন একটা পর্যায়ে আসাটা তাই স্বাভাবিক, যখন আপনি বলয়ের বাইরে যেতে চাবেন, যেটা খুবই ন্যায্য। আমি নিশ্চিত এটা তার জন্য মোটেও সহজ কোনও সিদ্ধান্ত ছিল না, তবে এ সিদ্ধান্তকে আমরা সম্মান করি।” 

    এমনিতে আইপিএলে মইনের আগের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর তাকে ছেড়ে দিলেও ১৮ তারিখের নিলামে নতুন দল পাওয়ার সম্ভাবনা আছে তার। সেক্ষেত্রে একটা লম্বা সময় আবারও বলয়ের মাঝে থাকতে হতে পারে তাকে। 

    গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকেই বিভিন্ন বলয়ের মাঝে ছিলেন ডি ককও। টেস্টে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক করা হয়েছিল তাকে, এরপর ফর্মেও বড়সড় অবনতি ঘটেছে তার। এমনিতে ঘরোয়া লিগে বোর্ডের চুক্তিতে থাকা সবার খেলা বাধ্যতামূলক করলেও ফাফ ডু প্লেসি ও ডি ককের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম করেছে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। 

    “চিকিৎসকদের পরামর্শে কুইন্টন কয়েক সপ্তাহের বিরতিতে থাকবে। দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটারস অ্যাসোসিয়েশন (এসএসিএ) এবং ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা তাকে এ  প্রক্রিয়ায় সমর্থন দিয়ে যাবে”, ক্রিকইনফোকে বলেছেন এসএসিএ-র প্রধান নির্বাহী অ্যান্ড্রিউ ব্রিটজকে।
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন