• ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ১১ ছক্কায় মাশরাফির সেঞ্চুরি!

    ক্রিজে যখন নেমেছিলেন, তখন কলাবাগানের রান ছিল ৩৬ ওভারে ১৬৯। মাশরাফি বিন মুর্তজা এর পর যা করলেন, সেটাকে কালবৈশাখী ঝড় বললেও কম বলা হয়। ৫০ বলে সেঞ্চুরি পেয়েছেন, এর মধ্যে আবার ১১টি ছয়। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ফতুল্লায় কাঠফাটা রোদে পুড়তে পুড়তে যে গুটিকয় দর্শক খেলা দেখেছিলেন, তারা অনেক দিন বলার মতো একটা গল্প পেয়ে গেলেন।

     

    ব্যাট হাতে দলকে জেতানোর রেকর্ড আরও আছে। এই তো, গত বিপিএলেই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসকে দারুণ একটা ইনিংস খেলে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন। কিন্তু আজ যেটা করলেন, সেটা সবকিছুকেই ছাড়িয়ে গেল। লিস্ট এ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিটা এভাবে আসবে, সেটা নিশ্চয় মাশরাফিও ভাবেননি।

     

    শুরু থেকেই ঝড় তুলেছেন ব্যাটে। ক্রিজে আসার পর ৩৬তম ওভারেই নাজমুস সাদাতের বলে মেরেছেন একটি করে চার ও ছয়। ৪০ ওভার শেষে যখন মাশরাফির রান ১৯ বলে ২৭, তখনো বোঝা যায়নি সেটা তিন অঙ্কে চলে যাবে। ফিফটিও এসেছে ৩৫ বলে, ততক্ষণে ৪৪ ওভার শেষ। সেঞ্চুরি তখনো ছিল অনেক দূরের বাতিঘর।


    কিন্তু মাশরাফি আসল তোপ চালিয়েছেন পরের দুই ওভারে। ৪৬তম ওভার করতে এলেন মুক্তার আলী, ছয় বলের তিনটিই বাইরে আছড়ে মারলেন মাশরাফি। ৪৪ বলে ৭৮ রান নিয়ে হঠাৎ করেই সামনে সেঞ্চুরির সুবাস। কিন্তু সেটা যে ৪৮তম ওভারেই চলে আসবে, সেটাও অপ্রত্যাশিত ছিল। ওয়াহিদুল আলমের প্রথম তিন বলে তিনটি ছয়, রান হয়ে গেল ৯৭। পরের বলে নিলেন সিঙ্গেল, এবার রান ৯৮। শেষ বলে দুই মারলেই সেঞ্চুরি, মাশরাফি মারলেন আরেকটি ছক্কা। ৫০ বলেই হয়ে গেল সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১০৪ রানেই শফিউল ইসলামের বলে আউট হয়ে গেছেন।

     

    মাশরাফির ঝড়ে কলাবাগান ৫০ ওভারে শেষ পর্যন্ত করতে পেরেছে ৩১৬।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন