• ফ্রেঞ্চ ওপেন ২০১৬
  • " />

     

    অবশেষে রোঁলা গারোর রাজা জোকোভিচ

    উইম্বলডন, ইউএস অপেন, অস্ট্রেলিয়ান ওপেন- এর আগে অনেকবারই জেতা হয়েছিল। শোকেসে শুধু একটা ট্রফিইই বাকি ছিল। সেটাও পাওয়া হয়ে গেল নোভাক জোকোভিচের। অ্যান্ডি মারেকে ৩-৬, ৬-১, ৬-২, ৬-৪ গেমে হারিয়ে পেলেন নিজের প্রথম ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা। 

    অন্য সবকিছু পাওয়া হয়ে গেলেও বার বার এই ট্রফিটা ফসকে যাচ্ছিল জোকোভিচের। তবে আজ প্রথম সেটের পরেই সেই খরা ঘোচার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। গত দুই বছরেই ফ্রেঞ্চ ওপেন যার হাতে উঠেছে তিনি, প্রথম সেট হারার পর পরের তিনটি জিতেছেন। কী অবিশ্বাস্য, গত দুইবারই সেই বিজিত ছিলেন জোকোভিচ। নিয়তিই বোধ হয় ঠিক করে রেখেছিল, তিন বারে এসে মুদ্রার অন্য পিঠ দেখবেন জোকোভিচ। মারে প্রথম সেট জয়ের পর সেই ইতিহাস থেকেই কি অনুপ্রেরণা নিয়েছিলেন? 

     

    নইলে পরের তিন সেটে এমন দুর্দান্ত খেলবেন কেন। দ্বিতীয় সেটে দাঁড়াতেই দেননি মারেকে, দুই নম্বর খেলোয়াড়ের আত্মবিশ্বাসটা একটু হলেও নড়ে গিয়েছিল। পরের সেটে জোকোভিচ সেটাকে একেবারে গুড়িয়ে দিলেন। চতুর্থ সেটে এসে মারে একটু ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন, একবার ব্রেকও করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জোকোভিচই হাসলেন শেষ হাসি। ক্যারিয়ারের ১২ তম গ্র্যান্ড স্লাম জিতলেন জোকোভিচ, ছুঁয়ে ফেললেন রয় এমারসনকে। উন্মুক্ত যুগে সামনে শুধু রাফায়েল নাদাল, পিট সাম্প্রাস ও রজার ফেদেরার। ক্যারিয়ার স্লামও হয়ে গেল, এই মুহূর্তে চারটি গ্র্যান্ড স্লামই জোকোভিচের শোকেসে। সর্বশেষ চারটি ট্রফি ধরে রাখার কীর্তি ছিল ডন বাজ ও রড লেভারের। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন