• রিও অলিম্পিক ২০১৬
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ফেলপসের বাইশ!

    ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকের পর বিদায় বলে দিয়েছিলেন পুলকে, বছর দুয়েক পর আবার ফিরে আসেন। কে জানত, ত্রিশের কোঠায় এসেও ফুরিয়ে যাননি এই কিংবদন্তী। রিও অলিম্পিকে চারটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে চারটিতেই জিতে নিলেন স্বর্ণ। আজ ২০০ মিটার মেডলে ইভেন্টে প্রায় দুই সেকেন্ড এগিয়ে থেকে জিতে নিলেন নিজের ২২-তম স্বর্ণপদক।

     

    চার আঙ্গুল তুলে রিও অলিম্পিকের চারটি স্বর্ণের কথা জানান দিচ্ছেন ফেলপস

     

    ২০০ মিটার মেডলেতে এথেন্স, বেইজিং, লন্ডন- তিনটি অলিম্পিকেই জিতেছিলেন স্বর্ণ। রিওতে তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানাতে এই ইভেন্টে বিশ্বরেকর্ডধারী রায়ান লোকটে তো ছিলেনই, সাথে গত বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে রূপা জেতা ঘরের ছেলে থিয়াগো পেরেরাকেও অকুন্ঠ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিল রিও-র অ্যাকোয়াটিক স্টেডিয়ামের দর্শকরা। শুরুর দুই ল্যাপে পিছিয়ে থাকলেও ব্রেস্টস্ট্রোক এবং ফ্রি স্টাইল ল্যাপে আর আটকে রাখা যায়নি ফেলপসকে। ১ মিনিট ৫৪.৬৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে টানা চতুর্থবারের মত এই ইভেন্টে স্বর্ণ জিতে নেন ফেলপস। সাথে ঢুকে গেছেন পরপর চারটি অলিম্পিকে একই ইভেন্টে স্বর্ণজয়ীদের ছোট্ট এক তালিকায়। ডিসকাস থ্রোতে আল ওয়ের্টার (১৯৫৬,১৯৬০,১৯৬৪,১৯৬৮) আর লং জাম্পে কার্ল লুইসেরই (১৯৮৪,১৯৮৮,১৯৯২,১৯৯৬) এতদিন ছিল এই কীর্তি। ৩১ বছর বয়স্ক ফেলপস মাত্র তৃতীয় অলিম্পিয়ান হিসেবে এই বিরল রেকর্ডে ভাগ বসালেন। 

    ২০০ মিটার মেডলে-তে চার ল্যাপে বাটারফ্লাই, ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক আর ফ্রিস্টাইল, এই চারটি ভিন্ন পদ্ধতিতে পর্যায়ক্রমে সাঁতরাতে হয়। ব্রাজিলিয়ান থিয়াগো পেরেরা বাটারফ্লাই ল্যাপে সবার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন আর ব্যাকস্ট্রোক ল্যাপে পেরেরা ছিলেন কেবল রায়ান লোকটের পেছনে। অবশ্য পেরেরা কিংবা লোকটে কেউই শেষ পর্যন্ত কোনো পদক জিততে পারেননি। জাপানের কোসুকে হাগিনো ১ মিনিট ৫৬.৬১ সেকেন্ড সময় নিয়ে রূপা আর চীনের ওয়াং সুন ১ মিনিট ৫৭.০৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে জিতে নেন ব্রোঞ্জ। লোকটে সাঁতার শেষ করেন পাঁচ নম্বরে থেকে আর পেরেরা ছিলেন সাতে। 
     


    অল্পের জন্য ফেলপস ভাঙ্গতে পারেননি বিশ্বরেকর্ড


    আগামীকাল শনিবার, বাংলাদেশ সময় সকাল সাতটায় পুরুষদের ১০০ মিটার বাটারফ্লাই ইভেন্টে রিও অলিম্পিকে নিজের পঞ্চম স্বর্ণজেতার আশায় পুলে নামবেন ফেলপস। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন