• রিও অলিম্পিক ২০১৬
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    একই সঙ্গে সোনা জিতেছেন দুজন, মিলিত বয়স ৩৬!

    হঠাৎ করে একটু ধন্দে যেতে পারেন। দুজনের গলাতেই সোনার পদক, দুজনের হাসিও বলছে সে কথাই। কিন্তু একই ইভেন্টে দুজন কীভাবে স্বর্ণ পান? অলিম্পিকে মেয়েদের ১০০ মিটার ফ্রিস্টাইল ইভেন্টে সেটিই হয়েছে। কানাডার পেনি ওলেকসিয়াক ও যুক্তরাষ্ট্রের সিমোনে ম্যানুয়েল দুজনেই ঠিক একই সময়ে সাঁতার শেষ করেছেন। সাঁতারের ভাষায় যেটিকে বলা হয় ডেড ফিনিশ। দুজনেই সোনার হাসি নিয়েই পুল ছেড়েছেন।

    অথচ প্রথম হওয়ার কথা ছিল না কারোরই। এই ইভেন্টে দুই মাস আগেই বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কেট ক্যাম্পবেল, তিনিই ছিলেন অবিসংবাদিত ফেবারিট। কিন্তু আজ যেন হঠাৎ করেই খেই হারিয়ে ফেললেন। শুধু কেট নন, তাঁর সহোদরা ব্রন্টে ক্যাম্পবেল ছিলেন লড়াইয়ে। কিন্তু শুরুটা ভালো করেও দু'জন পরে পিছিয়ে পড়েছেন। শেষ পর্যন্ত পেনি ও সিমোনে একদম ৫২.৭০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সাঁতার শেষ করেছেন। ধারাভাষ্যকারের "ও মাই গুডনেস, ইটস এ ডেড হিট" প্রতিক্রিয়াটাই বলে দিচ্ছিল এই ব্যাপারটা কতটা অবিশ্বাস্য ।

     


    তবে সাঁতারে যে এটা প্রথম হয়েছে তা নয়। ২০০০ সিডনি অলিম্পিকে ছেলেদের ১০০ মিটার ফ্রিস্টাইলেও এরকমই হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের দুই অনুশীলন পার্টনার গ্যারি হল জুনিয়র ও অ্যান্থনি আরভিন ঠিক একই সময় নিয়ে সাঁতার শেষ করেছিলেন।

    তার চেয়েও বড় ব্যাপার, পেনি ও সিমোনে দুজনেই মিলিত বয়স মাত্র ৩৬। সিমোনের বয়স ২০, পেনি মাত্র ষোল পূরণ করেছেন। আর ১৬ বছর বয়সেই এই অলিম্পিকে চারটি পদক জিতেছেন পেনি। ১৯৯২ সালের পর সাঁতারে কানাডার হয়ে প্রথম সোনাও জিতলেন। আর সিমোনে প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান মেয়ে হিসেবে সাঁতারে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন।  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন