• রিও অলিম্পিক ২০১৬
  • " />

     

    চুরি করে খেলা দেখে জেলে!

    একবার কল্পনা করুন তো, অলিম্পিকে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে আপনাকে জেলে রাত কাটাতে হল। মনের অবস্থাটা তখন কেমন হবে? এরকমই এক পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অলিম্পিক দলের ৯ সদস্য। তাদের বিপক্ষে অ্যাক্রিডিশন পাস জালিয়াতির অভিযোগ এনেছে ব্রাজিল পুলিশ।

    গত শুক্রবার বাস্কেটবলের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ ছিল সার্বিয়া। সেখানে অন্য  ইভেন্টের কাউকে ঢুকতে হলে লাগতো অ্যাক্রিডিশন কার্ড। তবে কোন কার্ড না থাকলেও  তাঁরা সেখানে খেলা দেখতে যান। কিন্তু ব্যাপারটা যে এতদূর গড়াবে তা হয়তো কল্পনাতেই আনেননি । ব্রাজিল পুলিশ তাদের জেলে নিয়ে গেছে, নানা হুমকি দিয়ে আটকে রেখেছে প্রায় ১০ ঘন্টা।

     

    পরে অবশ্য ছাড়া পেয়েছেন সবাই। তবে অস্ট্রেলিয়া দলকে গুণতে হয়েছে ৩৬ হাজার ডলারের জরিমানা। সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলতে গিয়ে কান্নায়  ভেঙে পড়েন অস্ট্রেলিয়া অলিম্পিক দলের প্রধান কিটি চিলার, “আমি কি বলবো বুঝতে পারছিনা, সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী আমি। এসবে তাদের কোন দোষই নেই। ব্রাজিলে এসে এরকম অবস্থার মুখোমুখি হতে হবে তা কোনদিনই ভাবিনি!”

     

    জেলে রাত কাটান এই অ্যাথলেটদের মনোবলও ভেঙে পড়েছে অনেকখানি। চিলার এই ব্যাপারেও চিন্তিত, “তাদেরকে মানসিক সমর্থন দিতে হবে। যা ঘটেছে তা একদমই ভাল হয়নি। আশা করি ভবিষ্যতে এরকম হবেনা।”


    জেলে যাওয়া অজি দলের খেলোয়াড়রা হলেন ব্রোঞ্জ পদকজয়ী তীরন্দাজ অ্যালেচ পটস এবং রায়ান টায়াক, ছেলেদের রাগবি দলের অধিনায়ক এড জেনকিংস, সাইকিলিংয়ের মেলিসা হসকিন্স এবং অ্যাসলি আনকুদিনফ, রোইয়িংয়ের ফিওনা আলবার্ট, অলিম্পিয়া আলডারসি , লুসি স্টিফেন এবং হকি দলের সিমন অর্চারর্দ। আগামী সোমবার দেশে ফেরার কথা রয়েছে তাদের।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন