• ইংল্যান্ড-পাকিস্তান
  • " />

     

    বাবার জন্মদিনে বেইরস্টোর উপহার

    ইংল্যান্ডের হয়ে চারটি টেস্ট ও ২১টি ওয়ানডে খেলেছিলেন ডেভিড বেইরস্টো। ১৯৫১ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর জন্মেছিলেন ডেভিড, আর আত্মহত্যা করেছিলেন ১৯৯৮ সালের ৫ জানুয়ারি। জনি বেইরস্টোর বয়স তখন নয় বছর। জীবন নিয়ে হতাশ সেই ডেভিডকে এবারের জন্মদিনে একটা 'বিশেষ' উপহার দিলেন ছেলে জনি, ইংল্যান্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের চতুর্থ ওয়ানডেতে ম্যাচসেরা হয়ে।


    জস বাটলারের শেষ মুহুর্তের চোটে বেইরস্টো সুযোগ পেলেন ঘরের মাঠে খেলার। সে সুযোগটাকেই কাজে লাগালেন। তাঁর দায়িত্বশীল ফিফটিতে হেডিংলিতেও পাকিস্তানকে হারিয়েছে ইংল্যান্ড, এবার ব্যবধান চার উইকেটের।

     

    টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন আজহার আলী, তাঁর ৮০ রানের ইনিংসটিই পাকিস্তানের এদিনের সর্বোচ্চ, তবে সবচেয়ে উপভোগ্য নয়। ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন ইমাদ ওয়াসিম, আট নম্বরে নেমে এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার করেছেন ৪১ বলে অপরাজিত ৫৭ রানের ইনিংস। ইংল্যান্ডের দুই স্পিনার আদিল রশিদ ও মঈন আলি মিলে ৮৬ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। ডেথ ওভারে অসাধারণ বল করা ক্রিস জর্ডান দুইটি। আট উইকেটে পাকিস্তান করেছিল ২৪৭ রান।

     

    এ ম্যাচ দিয়ে পাকিস্তান দলে ফিরেছেন মোহাম্মদ ইরফান, ইংল্যান্ডকে সিরিজের সবচেয়ে ‘অস্বস্তিকর’ অবস্থায় ফেলেছিলেন তিনিই। দুই ওপেনারকে ফিরিয়েছেন ৩৬ রানের মাঝেই। উমর গুল ও হাসান আলির একটি করে উইকেটে ইংল্যান্ড একসময় ৭২ রানেই হারিয়েছিল ৪ উইকেট। সেই ইরফানই পরে চোট নিয়ে অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়েছিলেন, উঠে গিয়েছিলেন ৪ ওভার বোলিং করেই। ইনিংসের ৪২তম ও নিজের ৫ম ওভারের পর উঠে গিয়েছেন আবার।

     

    তবে ইরফান বা অন্য কোনো বোলার বাধা হতে পারেননি ঘরের ছেলে বেইরস্টো বা গত ফেব্রুয়ারির পর প্রথম ফিফটি পাওয়া বেন স্টোকসের। জয় থেকে ৭৭ রান দূরে স্টোকস ৬৯ রান করে ফিরে গেলেও ছিলেন বেইরস্টো। মঈন আলির সাথে তাঁর ৫০ রানের জুটিই এগিয়ে নিয়ে গেছে ইংল্যান্ডকে। বেইরস্টো ৬১ রানে ফিরেছেন। উইলিকে নিয়ে শেষ কাজটা সেরেছেন ৪৫ রান করা মঈনই।

     

    ৪ তারিখে কার্ডিফে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্য নিয়ে নামবে এউইন মরগানের দল।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন