• ইংল্যান্ড-পাকিস্তান
  • " />

     

    পাকিস্তানের সান্ত্বনার জয়

    টস-পাকিস্তান

    ইংল্যান্ড ৩০২-৯(৫০ ওভার)

    পাকিস্তান ৩০৪-৬(৪৮.২ ওভার)

    পাকিস্তান ৪ উইকেটে জয়ী

     

    দুজন যখন জুটিটা শুরু করেন, পাকিস্তানের রান ৭৭, উইকেট ৩। শোয়েব মালিক ও সরফরাজ আহমেদ সেই জুটিতে করলেন রেকর্ডসংখ্যক ১৬৩ রান, ইংল্যান্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের পক্ষে যে কোনো উইকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ। মূলত এ জুটির উপর ভর করেই ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়ে স্বান্তনার জয় পেল পাকিস্তান। কার্ডিফে ইংল্যান্ডের দেয়া ৩০৩ রানের লক্ষ্য পাকিস্তান পেরিয়ে গেছে চার উইকেট ও ১০ বল বাকী রেখে।

     

    সিরিজে এর আগে একটি করে ফিফটি ও সেঞ্চুরি করেছিলেন সরফরাজ, বৃথা গেছে দুটিই। এদিনের ৯০ রানের ইনিংসটা কাজে লাগলো, আক্ষেপ যদি থেকে থাকে, তাহলে নড়বড়ে নব্বইয়ে কাটা পড়ার আক্ষেপটাই আছে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের।

     

    সরফরাজের পরে আউট হয়েছিলেন মালিক ৭৭ রান করে, তখনও পাকিস্তান জয় থেকে ৪৭ রান দূরে দাঁড়িয়ে। তবে তাঁদের জুটি থেকে উৎসাহ নিয়েই খেলা শেষ করেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাদ ওয়াসিম। ইমাদ আবার খেলেছেন তাঁর ‘ঘরের মাঠে’, ওয়েলশের গ্ল্যামারগনেই যে জন্ম এ পাকিস্তান অলরাউন্ডারের।

     

    বল হাতেও পাকিস্তান ইনিংসে সবচেয়ে ভাল ইকোনমি রেটটা ছিল ইমাদেরই, ১০ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে নিয়েছেন এক উইকেট। চারটি উইকেট নিয়েছেন হাসান আলি, তিনটি নিয়েছেন মোহাম্মদ আমির। অ্যালেক্স হেলস, জো রুট, ওইন মরগান একে একে ফিরে গেলেও ইংলিশ ইনিংস গড়ার কাজটা নিয়েছিলেন জ্যাসন রয়। ৮৭ রান করে ফিরেছেন তিনিও, তবে এর আগে দ্বাদশ ইংলিশ ওপেনার হিসেবে ১০০০ রান পূর্ণ করেছেন।

     

    ইংল্যান্ড ম্যাচশেষে উল্লাসে মেতেছে ঠিকই

     

    রয়ের পর সেরা স্কোর বেন স্টোকসের, ওয়ানডেতে নিজের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলে স্টোকস করেছেন ৭৭ রান।  শেষ নয় ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান তুলতে পেরেছে ইংল্যান্ড, স্কোর ৩০০ ছাড়িয়ে গেলেও তাই পাকিস্তানকে আরও বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়ার মতো হয়নি।

     

    আরও বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপারটা ম্যাচ শেষের কথা, সিরিজের আগের ম্যাচের বিবেচনায় তো পাকিস্তানের কাছে এ স্কোরই ছিল যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। সরফরাজ আর মালিকের ব্যাটে সেই চ্যালেঞ্জ উৎরে গেছে পাকিস্তান, এশিয়ার বাইরের মাটিতে এশিয়ার বাইরের কোনো দলের সঙ্গেই এই প্রথম ৩০০ রান টপকে জিতলো পাকিস্তান। পেলো স্বান্তনার জয়, আর সিরিজ জিতেও ইংল্যান্ডের হয়তো থেকে থাকলো হোয়াইটওয়াশের আক্ষেপ।

     

    তবে আক্ষেপ নেই নিশ্চয়ই সিরিজে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে যাওয়া জো রুটের। এ ম্যাচে ব্যাট হাতে ৯ রানে আউট হলেও সিরিজসেরা ঠিকই হয়েছেন ইংল্যান্ডের গোল্ডেন বয়।

     

    দুই দলের একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ৭ সেপ্টেম্বর, ওল্ড ট্রাফোর্ডে।


     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন