• ইংল্যান্ড-পাকিস্তান
  • " />

     

    টি-টোয়েন্টিতে অন্য পাকিস্তান

    টি-টোয়েন্টিতে অন্য পাকিস্তান    

    ওয়ানডে সিরিজে রীতিমতো নাকানিচুবানি খেয়েছে পাকিস্তান। শেষ ম্যাচে পেয়েছে সান্ত্বনার জয়। ওয়ানডে থেকে যখন টি-টোয়েন্টিতে নেমে এলো খেলা, সেই পাকিস্তানই বদলে গেল! ওল্ড ট্রাফোর্ডে একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডকে নয় উইকেট ও ৩১ বল হাতে রেখে হারিয়েছে পাকিস্তান।

     

    টস জিতেছিলেন ওইন মরগান, ইংল্যান্ড ম্যাচে বোধহয় এই একটি জায়গাতেই জিতেছে! বাকী সব জিতেছে নতুন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের পাকিস্তান। ওপেনিং জুটিতে ৫৬ রান তুলেছিল ইংল্যান্ড, সে পর্যন্ত সাদা বলে সাম্প্রতিক সময়ের ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানেরই প্রতিচ্ছবি ছিল তা। রয়কে ফিরিয়ে উল্টো পথে যাত্রার শুরুটা করেছিলেন ইমাদ ওয়াসিম। ইমাদ পরে নিয়েছেন আরও একটি উইকেট, ৪ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১৭ রান।

     

    তবে ইমাদকেও ছাড়িয়ে গেছেন কদিন আগেই ওয়ানডেতে অল্পের জন্য সবচেয়ে বেশী রান দেয়ার ‘কীর্তি’ গড়তে না পারা ওয়াহাব রিয়াজ। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে রিয়াজ নিয়েছেন ৩ উইকেট। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়েছে ইংল্যান্ডের, জুটি গড়ে ওঠেনি স্কোরটাকে বড় করার জন্য। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৫ রান করেই থেমেছে ইংল্যান্ড।

     

    ইংল্যান্ডের সে রানটা যে এদিন মোটেও জেতার মতো হয়নি, তা শুরু থেকেই বুঝিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানী দুই ওপেনার সারজিল খান ও খালিদ লতিফ। ১০৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েছেন দুজন, রান করেছেন দুজনই ৫৯! প্রথম ছয় ওভারেই এসেছে ৭৩ রান, পাওয়ারপ্লেতে পাকিস্তানের এটি সর্বোচ্চ।

     

    সারজিল আউট হয়েছেন, অভিষিক্ত বাবর আজমকে নিয়ে বাকী কাজ সেরেছেন লতিফ। সীমিত ওভারে পাকিস্তান অনেকদিন এমন প্রভাববিস্তারী খেলেনি, ইংল্যান্ডও শিকার হয়নি এমন ঘটনার। ওল্ড ট্রাফোর্ড থেকে ইংল্যান্ড যে স্মৃতি নিয়ে ফিরবে, তাই নিয়ে আসবে বাংলাদেশে।  

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন