• শ্রীলঙ্কা-অস্ট্রেলিয়া
  • " />

     

    অস্ট্রেলিয়া পারল, পারলেন না ম্যাক্সওয়েল!

    শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ১৪ রান। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ১৩ রান। অস্ট্রেলিয়া পারলো, ম্যাক্সওয়েল পারলেন না। শ্রীলঙ্কাকে সরিয়ে টি-টোয়েন্টির এক ইনিংসে এখন সর্বোচ্চ স্কোর অস্ট্রেলিয়ার, পাল্লেকেল্লেতে অজিরা করেছে ৩ উইকেটে ২৬৩ রান!

    ২০১০ সালে জোহানেসবার্গে কেনিয়ার সঙ্গে শ্রীলঙ্কা করেছিল ২৬০ রান, বিশ্বরেকর্ড হয়ে ছিল এটিই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর ছিল অস্ট্রেলিয়ারই, সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ডের সঙ্গে ২০১৩ সালে অজিরা করেছিল ২৪৮ রান।

    অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ব-রেকর্ড গড়ার মূল কারিগর টি-টোয়েন্টিতে প্রথম সেঞ্চুরি পাওয়া গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। শেষ পর্যন্ত ১৪৫ রানেই অপরাজিত ছিলেন ম্যাক্সওয়েল, সতীর্থ অ্যারন ফিঞ্চের ১৫৬ রানের রেকর্ডটা তাই ভাংগা হয়নি। তবে ফিঞ্চের পরের সর্বোচ্চ স্কোরটা টপকে গেছেন আগেই, যেখানে ছিলেন ম্যাক্সিরই আরেক সতীর্থ শেন ওয়াটসন, ১২৪ রান নিয়ে।

    এ ইনিংসে ম্যাক্সওয়েল চার মেরেছেন ১৪টি, টি-টোয়েন্টির এক ইনিংসে যা সর্বোচ্চ। ১৪টি করে চার মেরেছিলেন এর আগে হার্শেল গিবস ও অ্যারন ফিঞ্চ। পাল্লেকেল্লেতে বিস্ফোরক ইনিংস খেলার পথে ম্যাক্সওয়েল ছয় মেরেছেন ৯টি।

    প্রায় দশদিন আগেই টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি, তিন ফরম্যাটেই সর্বোচ্চ স্কোরের রেকর্ড ছিল শ্রীলঙ্কার। পাকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচে ওয়ানডের রেকর্ডটা ভেংগে দিয়েছে ইংল্যান্ড, এবার গেল টি-টোয়েন্টিরটাও!  ম্যাক্সওয়েলের সেঞ্চুরি দিয়ে একটা রেকর্ড হয়ে গেল পাল্লেকেল্লেরও, এই মাঠ টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি দেখেছে! 

    অস্ট্রেলিয়ার ২৬৩ রান শুধু আন্তর্জাতিক না, যে কোনো স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতেই সর্বোচ্চ। সমান রান আছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল ব্যাংগালোরের। 

    ২৬৩ রান তাড়া করতে নেমে যেটা হওয়ার কথা ছিল, সেটাই হয়েছে। শ্রীলঙ্কা চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত থেমে গেছে ১৭৮ রানে। অস্ট্রেলিয়া পেয়েছে ৮৫ রানের বড় জয়।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন