• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    'মায়ের রান্নাঘরে খাওয়াটাই' এবার তৃপ্তি মুশফিকের

    অলিখিতভাবে জানা ছিল আগেই, তারপরও সামান্য একটু রহস্য ছিল। মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক আর ড্যারেন স্যামি দুবারের টি-টোয়েন্টি জয়ী দলের অধিনায়ক। রাজশাহী কিংসের অধিনায়কত্ব পেলেন পরের জনই। তবে স্যামি যেমন বলেছেন, পেছন থেকে মুশফিককে সবসময় পাশে চান, মুশফিকও তেমনি বললেন এবার ব্যাটসম্যান আর কিপার হিসেবে অবদান রাখতে পেরেই সন্তুষত। সেই সঙ্গে রাজশাহীতে ফেরাটা মুশফিকের কাছে মায়ের হাতের রান্নার মতো, মনে করিয়ে দিলেন তাও।

     

    ফ্র্যাঞ্চাইজি বদলে গত বার স্যামির ছোঁয়াতেই অন্যরকম একটা প্রেরণা পেয়েছিল রাজশাহী। এবারও স্যামি থাকছেন, দুবারের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক আলাদা করে মুশফিকের কথাই বলললেন, ‘গতবার আমরা ফাইনালে গিয়েছিলাম, সেই দলের অনেকেই এবার আছে। এবার আমরা আরও বেশি রোমাঞ্চিত, বিশেষ করে মুশফিককে পেয়ে। সে একজন দারুণ খেলোয়াড়, বিশেষ করে নেতৃত্বের ব্যাপারে। অধিনায়ক কে সেটা বড় কথা নয়। আমার মনে হয় স্টাম্পের পেছন থেকে সে দলকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করতে পারবে, বিশেষ করে তরুণদের। লেন্ডল সিমন্স ও লুক রাইটকে আমরা পেয়েছি। পাওয়ার প্লের প্রথম তিন চার ওভারে ওরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কয়েকজন ভালো তরুণ বাঁহাতি স্পিনার আছে, আমাদের দলটা অনেকটা বাংলাদেশের মতোই। দুর্ভাগ্যজনকভাবে মুস্তাফিজ চোটে, কিন্তু তারপরও দল নিয়ে আমি খুবই সন্তুষ্ট। তারপরও আমরা মনে করি গত বারের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে পারব।’

    স্যামি অবশ্য আপাতত শুধুই উপভোগের মন্ত্রে দীক্ষিত করতে চাইছেন দলকে, ‘ক্রিকেটে আসলে মাঠের খেলার দক্ষতার সঙ্গে ভাগ্যও দরকার। যে দল কম ভুল করবে, ছন্দ নিজেদের পক্ষে রাখতে পারবে। মাঠে গিয়ে খেলাটা উপভোগ করতে হবে,চেষ্টা করব প্রতিপক্ষকে চাপ দেওয়ার। আমাদের দলে বেশ কয়েকজন স্কিলফুল খেলোয়াড় আছে। সব কিছু ঠিকঠাক করতে পারলে আমরা অনেকদূর যেতে পারব।’

     

    আমার সহ অধিনায়কও নিশ্চিত নয় উইকেট কেমন হবে, আশার কথা, প্রথম ম্যাচটা আমাদের নয়, তো ওই ম্যাচটা দেখার পর আমরা কিছুটা ধারণা পাব।

     

    মুশফিকও শুরুতে আলাদা করে স্যামির কথাই বললেন,  ‘এই বছর আমরা রাজশাহীর দলে আমরা খেলছি, খুবই ভালো লাগছে। খুবই ভালো ও অন্যরকম একটা ব্যালান্সড টিম। ড্যারেন স্যামির মতো একজন খেলোয়াড় আমাদের দলে আছে। তার কাছ থেকে আমাদের তো বটেই, তরুণদেরও অনেক কিছু শেখার আছে।’

    প্রথম আসর থেকেই বিপিএলে অধিনায়ক হিসেবেই খেলেছেন। এবার ভূমিকাটা বদলে যাচ্ছে, তবে তা নিয়ে ভাবছেন না,’ অধিনায়ক থাকি আর না থাকি, চেষ্টা করব পেছন থেকে যতটুকু পারি চেষ্টা করার। আমি সব সময় চেষ্টা করি যে কাজটা আমাকে দেওয়া হয় সেটা ভালোভাবে করার। এবার চেষ্টা করব একজন ব্যাটসম্যান, কিপার আর ভাইস ক্যাপ্টেন হিসেবে যতটুকু অবদান রাখার। আমি চ্যালেঞ্জটা নিতে এখন মুখিয়ে আছি।’

    প্রথম আসরের পর রাজশাহীতে খেলাটাও অন্যরকম একটা তৃপ্তি দিচ্ছে মুশফিককে, ‘তা তো অবশ্যই কাজ করে। অন্যান্য জায়গায় খাওয়া আর নিজের মায়ের হাতে রান্না খাওয়ার মজা আলাদা। আমি মনে করি, এটা অন্যরকম একটা অনুভূতি। পেশাদার হয়েও এটা বাড়তি একটা আনন্দ। প্রথম বার খেলেছিলাম রাজশাহীর হয়ে এবার আবার খেলছি, চেষ্টা করব আস্থার প্রতিদান দেওয়ার।’

         

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন